বৈষম্য কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন জরুরি
jugantor
সানেমের কনফারেন্সে বক্তারা
বৈষম্য কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন জরুরি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে বৈষম্য কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। সেই সঙ্গে সুবিধাভোগী চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে ভুলভ্রান্তি এড়াতে শক্তিশালী ডাটাবেজ স্থাপন করতে হবে। বুধবার রাতে ‘কোভিড নাইনটিন অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন প্রোগ্রামস ইন বাংলাদেশ’- শীর্ষক সানেম সংযোগের সপ্তম পর্বে বক্তারা এ কথা বলেন। ওয়েব কনফারেন্স অ্যাপ জুমের মাধ্যমে আয়োজিত ওয়েবিনার পরিচালনা করেন সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান। কনফারেন্সে অতিথি ছিলেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি টোমো হজুমি। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সানেমের চেয়ারম্যান ড. বজলুল হক খন্দকার। আলোচক ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আজিজুল আলম, সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র সোশাল প্রটেকশন ইকোনমিস্ট আনিকা রহমান।

ড. সেলিম রায়হান বলেন, গতানুগতিক পদ্ধতিতে দরিদ্র চিহ্নিত করা সম্ভব না। দারিদ্র্য দূরীকরণ কর্মসূচির জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তিনি বাংলাদেশে জিডিপির অনুপাতে সামাজিক সুরক্ষার জন্য ব্যয়, সরকারের সক্ষমতা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিভিন্ন ধরন নিয়ে আলোচনা করেন।

মূল প্রবন্ধে ড. বজলুল হক খন্দকার বলেন, কোভিড-১৯ পূর্ব বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকে ভালো করলেও বাংলাদেশে গিনি সূচক বৃদ্ধি হচ্ছে, অর্থাৎ বৈষম্য বাড়ছে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ৭০ শতাংশ ‘এক্সক্লুশন এরর’ রয়েছে। যেটি নির্দেশ করে যে কত শতাংশ দরিদ্রকে, ‘দরিদ্র নয়’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। শহর ও গ্রামে কর্মসূচির বিস্তারের অসামঞ্জস্যতা রয়েছে।

সানেমের কনফারেন্সে বক্তারা

বৈষম্য কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন জরুরি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে বৈষম্য কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। সেই সঙ্গে সুবিধাভোগী চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে ভুলভ্রান্তি এড়াতে শক্তিশালী ডাটাবেজ স্থাপন করতে হবে। বুধবার রাতে ‘কোভিড নাইনটিন অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন প্রোগ্রামস ইন বাংলাদেশ’- শীর্ষক সানেম সংযোগের সপ্তম পর্বে বক্তারা এ কথা বলেন। ওয়েব কনফারেন্স অ্যাপ জুমের মাধ্যমে আয়োজিত ওয়েবিনার পরিচালনা করেন সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান। কনফারেন্সে অতিথি ছিলেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি টোমো হজুমি। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সানেমের চেয়ারম্যান ড. বজলুল হক খন্দকার। আলোচক ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আজিজুল আলম, সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র সোশাল প্রটেকশন ইকোনমিস্ট আনিকা রহমান।

ড. সেলিম রায়হান বলেন, গতানুগতিক পদ্ধতিতে দরিদ্র চিহ্নিত করা সম্ভব না। দারিদ্র্য দূরীকরণ কর্মসূচির জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তিনি বাংলাদেশে জিডিপির অনুপাতে সামাজিক সুরক্ষার জন্য ব্যয়, সরকারের সক্ষমতা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিভিন্ন ধরন নিয়ে আলোচনা করেন।

মূল প্রবন্ধে ড. বজলুল হক খন্দকার বলেন, কোভিড-১৯ পূর্ব বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকে ভালো করলেও বাংলাদেশে গিনি সূচক বৃদ্ধি হচ্ছে, অর্থাৎ বৈষম্য বাড়ছে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ৭০ শতাংশ ‘এক্সক্লুশন এরর’ রয়েছে। যেটি নির্দেশ করে যে কত শতাংশ দরিদ্রকে, ‘দরিদ্র নয়’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। শহর ও গ্রামে কর্মসূচির বিস্তারের অসামঞ্জস্যতা রয়েছে।