তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
jugantor
নির্মাণ কাজে দুর্নীতি
তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নির্মাণ কাজে দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ তিন প্রকৌশলী হলেন, পটুয়াখালী জেলার বাউফলের উপজেলা প্রকৌশলী মো. সুলতান হোসেন (চলতি দায়িত্ব), এলজিইডি সদর দফতরের অবকাঠামো প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ প্রকল্পের প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেন (প্রেষণে) ও মুন্সীগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসান। মো. সুলতান হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলার কিসমত শ্রীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণে অনিয়ম করেছেন। এছাড়া, প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার গ্রামীণ সড়ক মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নিুমানের ও গুণগত না হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রকৌশলী মো. সুলতান হোসেন এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে কাজের যথাযথ মনিটরিং না করায় মুন্সীগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পটুয়াখালী জেলার বাউফলে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সুলতান হোসেন (চলতি দায়িত্ব) তার সাবেক কর্মস্থল পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন, কিসমত শ্রীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ স্পেসিফিকেশন মোতাবেক বাস্তবায়ন করেননি। যে কোনো সময় বিদ্যালয় ভবনটি ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। বিধায় ভবনটি ভেঙে পুনরায় নির্মাণ করা প্রয়োজন। ত্রুটিপূর্ণভাবে নির্মাণ কাজ করা সত্ত্বেও মো. সুলতান হোসেন পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দিয়েছেন ও ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

নির্মাণ কাজে দুর্নীতি

তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নির্মাণ কাজে দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ তিন প্রকৌশলী হলেন, পটুয়াখালী জেলার বাউফলের উপজেলা প্রকৌশলী মো. সুলতান হোসেন (চলতি দায়িত্ব), এলজিইডি সদর দফতরের অবকাঠামো প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ প্রকল্পের প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেন (প্রেষণে) ও মুন্সীগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসান। মো. সুলতান হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলার কিসমত শ্রীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণে অনিয়ম করেছেন। এছাড়া, প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার গ্রামীণ সড়ক মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নিুমানের ও গুণগত না হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রকৌশলী মো. সুলতান হোসেন এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে কাজের যথাযথ মনিটরিং না করায় মুন্সীগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পটুয়াখালী জেলার বাউফলে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সুলতান হোসেন (চলতি দায়িত্ব) তার সাবেক কর্মস্থল পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন, কিসমত শ্রীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ স্পেসিফিকেশন মোতাবেক বাস্তবায়ন করেননি। যে কোনো সময় বিদ্যালয় ভবনটি ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। বিধায় ভবনটি ভেঙে পুনরায় নির্মাণ করা প্রয়োজন। ত্রুটিপূর্ণভাবে নির্মাণ কাজ করা সত্ত্বেও মো. সুলতান হোসেন পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দিয়েছেন ও ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।