১৭ দফা নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিলের রায়

নদী এলাকায় জমি লিজ বা বিক্রি করা যাবে না

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৬ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নদীর জীবনসত্তা ঘোষণাসহ ১৭ দফা নির্দেশনার বিরুদ্ধে করা আপিলের রায় প্রকাশ হয়েছে। রায়ে বলা হয়, পরিবেশ রক্ষার জন্য তুরাগ বা অন্য যে কোনো নদী, জলাশয়ের জায়গায় বা এর ফোরশোর এলাকা কোনো অবস্থায়ই লিজ বা বিক্রি করা যাবে না। সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। রায়ে সিএস ম্যাপকে ধরে জিপিআরএস পদ্ধতিতে একজন বিচারকের জরিপ প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া রায়ে নিশাত জুট মিলসের কাছে সরকারের দেয়া লিজ ডকুমেন্ট তাদের দাবি করা জায়গার সঙ্গে অমিল রয়েছে উল্লেখ করা হয়। রায়ে বলা হয়েছে, লিভ পিটিশন চলাকালীন ২০০৩ সালের ক্রয়চুক্তির তফসিল পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছেন আপিলকারী।

রায়ে বলা হয়, কোনো সার্ভের সময় প্রথমেই সিএস ম্যাপে সার্ভে করতে হবে, পরে আরএস, অন্য কোনো উপায় নয়। আপিল বিভাগের রায়ে হাইকোর্টের দেয়া রায়ে কেসের মেরিটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন কিছু বর্ণনা রয়েছে। তুরাগ নদ রক্ষায় মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গত বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়টি ওই বছরের ১ জুলাই প্রকাশিত হয়। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে নিশাত জুট মিলসের করা আপিলের শুনানি শেষে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ রায় দেন। ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি বুধবার প্রকাশিত হয়েছে, যার কপি হাতে পেয়েছেন রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি জিনাত আরা এবং বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের আদালত এ রায় দেন।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত