সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণ ক্রিকেটার নাঈমের মৃত্যু
jugantor
সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণ ক্রিকেটার নাঈমের মৃত্যু

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১০ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কেরানীগঞ্জের তরুণ ক্রিকেটার এমদাদ হোসেন নাঈম (২৭) আর নেই। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার ১২ দিন পর শনিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। গত ২৬ জুলাই কেরানীগঞ্জে ঢাকা-মাওয়া সড়কের শাক্তা মাঠ এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন নাঈম। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকার লাইফ কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এমদাদ হোসেন নাঈম ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্রিকেট ক্লাবের অলরাউন্ডার ছিলেন। কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর ইউনিয়নের ধর্মশুর গ্রামে তাদের বাড়ি। বাবার নাম মো. রব মিয়া।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২৬ জুলাই বিকেলে ঢাকা আসার পথে বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক নাঈমের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। সড়কে ছিটকে পড়ে নাঈমের পা ভেঙে যায়, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। হাসপাতালে নাঈমের কয়েক দফা অস্ত্রোপচার হয়। নয়দিন চিকিৎসা নেয়ার পর হাসপাতাল থেকে নাঈমকে ছাড়পত্র দেয়া হলে তিনি কেরানীগঞ্জের বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতেই শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

কেরানীগঞ্জের ক্রিকেট সংগঠক আরিফ সোলায়মান জানান, ‘কেরানীগঞ্জের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে নাঈম ছিল সুপরিচিত নাম। সে খুব ভালো অলরাউন্ডার ছিল। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, নাঈম একদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তাকে জীবন দিতে হল।’

সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণ ক্রিকেটার নাঈমের মৃত্যু

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১০ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কেরানীগঞ্জের তরুণ ক্রিকেটার এমদাদ হোসেন নাঈম (২৭) আর নেই। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার ১২ দিন পর শনিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। গত ২৬ জুলাই কেরানীগঞ্জে ঢাকা-মাওয়া সড়কের শাক্তা মাঠ এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন নাঈম। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকার লাইফ কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এমদাদ হোসেন নাঈম ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্রিকেট ক্লাবের অলরাউন্ডার ছিলেন। কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর ইউনিয়নের ধর্মশুর গ্রামে তাদের বাড়ি। বাবার নাম মো. রব মিয়া।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২৬ জুলাই বিকেলে ঢাকা আসার পথে বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক নাঈমের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। সড়কে ছিটকে পড়ে নাঈমের পা ভেঙে যায়, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। হাসপাতালে নাঈমের কয়েক দফা অস্ত্রোপচার হয়। নয়দিন চিকিৎসা নেয়ার পর হাসপাতাল থেকে নাঈমকে ছাড়পত্র দেয়া হলে তিনি কেরানীগঞ্জের বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতেই শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

কেরানীগঞ্জের ক্রিকেট সংগঠক আরিফ সোলায়মান জানান, ‘কেরানীগঞ্জের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে নাঈম ছিল সুপরিচিত নাম। সে খুব ভালো অলরাউন্ডার ছিল। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, নাঈম একদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তাকে জীবন দিতে হল।’