পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত
jugantor
মানবতাবিরোধী অপরাধ
পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৩ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট থানার বিভিন্ন এলাকার চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

বুধবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন চূড়ান্তের কথা জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম সানাউল হক। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৮তম প্রতিবেদন।

তবে সব আসামি পলাতক থাকায় তাদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি তদন্ত সংস্থা। পরিবেশ-পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব–্যনালের প্রসিকিউশনে জমা দেয়া হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার (আইও) দায়িতে রয়েছেন শাহজাহান কবির। মামলায় আইওসহ ২৮ জন সাক্ষীর জবানবন্দিসহ চারটি ভলিউমে মোট ১১৪ পৃষ্ঠায় তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এর আগে মামলা-তদন্তের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম. সানাউল হক সাংবাদিকদের বলেন, এ চার আসামির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর তদন্ত শুরু হয়। দুই বছর ৯ মাসে বুধবার তদন্ত শেষ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধ

পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৩ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট থানার বিভিন্ন এলাকার চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

বুধবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন চূড়ান্তের কথা জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম সানাউল হক। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৮তম প্রতিবেদন।

তবে সব আসামি পলাতক থাকায় তাদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি তদন্ত সংস্থা। পরিবেশ-পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব–্যনালের প্রসিকিউশনে জমা দেয়া হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার (আইও) দায়িতে রয়েছেন শাহজাহান কবির। মামলায় আইওসহ ২৮ জন সাক্ষীর জবানবন্দিসহ চারটি ভলিউমে মোট ১১৪ পৃষ্ঠায় তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এর আগে মামলা-তদন্তের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম. সানাউল হক সাংবাদিকদের বলেন, এ চার আসামির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর তদন্ত শুরু হয়। দুই বছর ৯ মাসে বুধবার তদন্ত শেষ করা হয়।