শ্রীপুরে গৃহবধূর আত্মহত্যা
jugantor
শ্রীপুরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক অসন্তোষের জেরে গৃহবধূ হাসিনা বেগম (৪০) ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। তিনি উপজেলার জৈনা বাজার (আবদার) এলাকার ব্যবসায়ী তোফাজ্জল হোসেন বেপারীর স্ত্রী। শুক্রবার সকালে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শ্রীপুর থানার এসআই হারুন মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তেলিহাটি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য তারেক হাসান বাচ্চু জানান, প্রায় ৪-৫ দিন আগে গৃহবধূ হাসিনা বেগম ও তার ছেলে জুবায়ের আহমেদ জয়ের সহযোগিতায় স্বামী তোফাজ্জল হোসেনকে গোপনে মাদক সেবনের অভিযোগে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা এলাকার রিহ্যাব সেন্টারে (মাদক নিরাময় কেন্দ্র) ভর্তি করে আসে। পরে ভাইয়ের সন্ধান না পেয়ে বড় ভাই কুজাম বেপারী বাদী হয়ে ভাবি হাসিনা বেগম ও ভাতিজাকে অভিযুক্ত করে ছোট ভাইয়ের সন্ধান চেয়ে সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে পুলিশ অভিযুক্তদেরকে আটক করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করলে ছেলে জয় জানায় বাবা মাদকাসক্ত না। মায়ের পরামর্শে তার বাবাকে মুক্তাগাছা এলাকার রিহ্যাব সেন্টার রেখে আসেছে। পরে থানা পুলিশের নির্দেশে তার বাবাকে রিহ্যাব সেন্টার থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে। বাবা বাড়িতে এসে এসব কর্মকাণ্ড শুনে স্ত্রী হাসিনা বেগমকে তালাক দেয়। ডিভোর্স দেয়ার পরও স্ত্রী হাসিনা বাড়ি না ছাড়ায় সে বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। শুক্রবার সকাল ছেলে ঘুম থেকে উঠে তার মা’কে ঘরে শুয়ে থাকতে দেখে বাজারে চলে যায়। সে বাজার থেকে এসে দেখে তার মা ঘরের সিলিংফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

শ্রীপুরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

 শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক অসন্তোষের জেরে গৃহবধূ হাসিনা বেগম (৪০) ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। তিনি উপজেলার জৈনা বাজার (আবদার) এলাকার ব্যবসায়ী তোফাজ্জল হোসেন বেপারীর স্ত্রী। শুক্রবার সকালে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শ্রীপুর থানার এসআই হারুন মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তেলিহাটি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য তারেক হাসান বাচ্চু জানান, প্রায় ৪-৫ দিন আগে গৃহবধূ হাসিনা বেগম ও তার ছেলে জুবায়ের আহমেদ জয়ের সহযোগিতায় স্বামী তোফাজ্জল হোসেনকে গোপনে মাদক সেবনের অভিযোগে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা এলাকার রিহ্যাব সেন্টারে (মাদক নিরাময় কেন্দ্র) ভর্তি করে আসে। পরে ভাইয়ের সন্ধান না পেয়ে বড় ভাই কুজাম বেপারী বাদী হয়ে ভাবি হাসিনা বেগম ও ভাতিজাকে অভিযুক্ত করে ছোট ভাইয়ের সন্ধান চেয়ে সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে পুলিশ অভিযুক্তদেরকে আটক করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করলে ছেলে জয় জানায় বাবা মাদকাসক্ত না। মায়ের পরামর্শে তার বাবাকে মুক্তাগাছা এলাকার রিহ্যাব সেন্টার রেখে আসেছে। পরে থানা পুলিশের নির্দেশে তার বাবাকে রিহ্যাব সেন্টার থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে। বাবা বাড়িতে এসে এসব কর্মকাণ্ড শুনে স্ত্রী হাসিনা বেগমকে তালাক দেয়। ডিভোর্স দেয়ার পরও স্ত্রী হাসিনা বাড়ি না ছাড়ায় সে বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। শুক্রবার সকাল ছেলে ঘুম থেকে উঠে তার মা’কে ঘরে শুয়ে থাকতে দেখে বাজারে চলে যায়। সে বাজার থেকে এসে দেখে তার মা ঘরের সিলিংফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।