আন্দোলনের হুমকি মাস্টারমাইন্ড স্কুলের অভিভাবকদের
jugantor
ফি বকেয়া হলে নাম কাটা
আন্দোলনের হুমকি মাস্টারমাইন্ড স্কুলের অভিভাবকদের

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দু’মাসের টিউশন ফি বকেয়া থাকলেই রেজিস্টার থেকে নাম কেটে দিচ্ছে রাজধানীর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল মাস্টারমাইন্ড। এ ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনাও উপেক্ষা করছে প্রতিষ্ঠানটি। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৬ মাস পরও প্রতিষ্ঠানের পাওনাদি পরিশোধের সুযোগ ছিল। এ অবস্থায় অভিভাবকরা তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লিখিত অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবকরা। পাশাপাশি ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্দেশনা সংবলিত চিঠি প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষায় স্বাভাবিকভাবে যুক্ত রাখার দাবি করেছেন। এরমধ্যে দাবি মেনে না নিলে অভিভাবকরা আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে সমি ইব্রাহিম নামে এক অভিভাবক বলেন, বিভিন্ন ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যম স্কুল সরকারের নির্দেশনা মেনে চলছে। কিন্তু মাস্টারমাইন্ড উল্টোপথে চলছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বাইরে না রাখার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল। সেটাও মাস্টারমাইন্ড মানছে না। গত ১৪ সেপ্টেম্বর পাঠানো চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাওনাদি পরিশোধের নির্দেশনা দিয়েছে। পরিশোধ না করলে রেজিস্টার থেকে নাম কেটে দেবে। এর মানে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে বের করে দেবে। এটা অমানবিক, অনৈতিক ও বেআইনি। এ অভিভাবক বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ অভিভাবক দুরবস্থার মধ্যে আছেন। কারও চাকরি চলে গেছে আবার কেউ চাকরি করলেও বেতন কমেছে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ। এভাবে প্রায় সবার উপার্জন কমেছে। বিপরীত দিকে প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু বন্ধ আছে, তাই তাদের অনেক ব্যয়ই হচ্ছে না। সদিচ্ছা থাকলে টিউশনসহ অন্য ফি কমানোর পাশাপাশি বাদ দিতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও এমন নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু মাস্টারমাইন্ড শতভাগ নিচ্ছে।

ফি বকেয়া হলে নাম কাটা

আন্দোলনের হুমকি মাস্টারমাইন্ড স্কুলের অভিভাবকদের

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দু’মাসের টিউশন ফি বকেয়া থাকলেই রেজিস্টার থেকে নাম কেটে দিচ্ছে রাজধানীর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল মাস্টারমাইন্ড। এ ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনাও উপেক্ষা করছে প্রতিষ্ঠানটি। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৬ মাস পরও প্রতিষ্ঠানের পাওনাদি পরিশোধের সুযোগ ছিল। এ অবস্থায় অভিভাবকরা তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লিখিত অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবকরা। পাশাপাশি ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্দেশনা সংবলিত চিঠি প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষায় স্বাভাবিকভাবে যুক্ত রাখার দাবি করেছেন। এরমধ্যে দাবি মেনে না নিলে অভিভাবকরা আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে সমি ইব্রাহিম নামে এক অভিভাবক বলেন, বিভিন্ন ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যম স্কুল সরকারের নির্দেশনা মেনে চলছে। কিন্তু মাস্টারমাইন্ড উল্টোপথে চলছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বাইরে না রাখার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল। সেটাও মাস্টারমাইন্ড মানছে না। গত ১৪ সেপ্টেম্বর পাঠানো চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাওনাদি পরিশোধের নির্দেশনা দিয়েছে। পরিশোধ না করলে রেজিস্টার থেকে নাম কেটে দেবে। এর মানে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে বের করে দেবে। এটা অমানবিক, অনৈতিক ও বেআইনি। এ অভিভাবক বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ অভিভাবক দুরবস্থার মধ্যে আছেন। কারও চাকরি চলে গেছে আবার কেউ চাকরি করলেও বেতন কমেছে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ। এভাবে প্রায় সবার উপার্জন কমেছে। বিপরীত দিকে প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু বন্ধ আছে, তাই তাদের অনেক ব্যয়ই হচ্ছে না। সদিচ্ছা থাকলে টিউশনসহ অন্য ফি কমানোর পাশাপাশি বাদ দিতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও এমন নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু মাস্টারমাইন্ড শতভাগ নিচ্ছে।