ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণি পরম্পরায় বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা
jugantor
ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণি পরম্পরায় বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার  

০৩ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের পরম্পরায় বাংলাদেশের জয়যাত্রা। অসাম্প্রদায়িক, মুক্ত চিন্তা, প্রবৃদ্ধি আর মানবিক সমৃদ্ধিতে এই পরম্পরা। আর বাবার থেকে মেয়ের এ সাফল্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই রাজধানীতে চলছে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণি পরম্পরা।

অমল সাহার ‘আমাদের জাতির পিতা’, মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাকের ‘বিদেশি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ’, শেখ আদনান ফাহাদের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শ ও গণমাধ্যম ভাবনা,’ ছাড়াও ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘শেখ হাসিনা, দ্য আনফিনিসড মেমোরি’র মতো বইগুলো বিক্রি হচ্ছে এই ভ্রাম্যমাণ বিপণিতে। আরও রয়েছে কমিকস সিরিজ ‘মুজিব’ এবং ফেরা’র মতো বইগুলো। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে আগামী ছয় মাস ধরেই এই ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণি ঘুরে বেড়াবে পাঠকের দ্বারে দ্বারে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, মুজিববর্ষ উদযাপনের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উদযাপনের অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন গত সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ পার্কে এই দুটি ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণির উদ্বোধন হয়। গুলশানের বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, লকডাউনের কারণে বইয়ের বাজারে যাওয়া হচ্ছে না। তাই এ উদ্যোগ সত্যিই ভালো লাগল।

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর রচিত গুরুত্বপূর্ণ বইগুলো পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যেই ‘পরম্পরা’র যাত্রা। প্রতিটি ভ্রাম্যমাণ বই বিপণিতে একটি করে বড় টেলিভিশন রয়েছে, যেখানে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্মিত বিভিন্ন তথ্যচিত্র দেখানো হচ্ছে। পরম্পরা নামের এই গ্রন্থাগার ২টি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৫৪টি ওয়ার্ড প্রদক্ষিণ করবে। প্রাথমিকভাবে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্পট, যেমন পার্ক, মাঠ বা লোকজন আসে এমন খোলা জায়গায় এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, দেশের প্রতি তার অবদান এবং বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাভাবনা সম্পর্কে জনগণকে জানাতে ছয় মাসের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা আমাদের। এটি খুবই সামান্য। তার পরও স্বল্প সময়ের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা সফল হবে বলে বিশ্বাস করি।

ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণি পরম্পরায় বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা

 সাংস্কৃতিক রিপোর্টার 
০৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের পরম্পরায় বাংলাদেশের জয়যাত্রা। অসাম্প্রদায়িক, মুক্ত চিন্তা, প্রবৃদ্ধি আর মানবিক সমৃদ্ধিতে এই পরম্পরা। আর বাবার থেকে মেয়ের এ সাফল্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই রাজধানীতে চলছে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণি পরম্পরা।

অমল সাহার ‘আমাদের জাতির পিতা’, মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাকের ‘বিদেশি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ’, শেখ আদনান ফাহাদের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শ ও গণমাধ্যম ভাবনা,’ ছাড়াও ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘শেখ হাসিনা, দ্য আনফিনিসড মেমোরি’র মতো বইগুলো বিক্রি হচ্ছে এই ভ্রাম্যমাণ বিপণিতে। আরও রয়েছে কমিকস সিরিজ ‘মুজিব’ এবং ফেরা’র মতো বইগুলো। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে আগামী ছয় মাস ধরেই এই ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণি ঘুরে বেড়াবে পাঠকের দ্বারে দ্বারে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, মুজিববর্ষ উদযাপনের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উদযাপনের অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন গত সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ পার্কে এই দুটি ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থ বিপণির উদ্বোধন হয়। গুলশানের বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, লকডাউনের কারণে বইয়ের বাজারে যাওয়া হচ্ছে না। তাই এ উদ্যোগ সত্যিই ভালো লাগল।

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর রচিত গুরুত্বপূর্ণ বইগুলো পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যেই ‘পরম্পরা’র যাত্রা। প্রতিটি ভ্রাম্যমাণ বই বিপণিতে একটি করে বড় টেলিভিশন রয়েছে, যেখানে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্মিত বিভিন্ন তথ্যচিত্র দেখানো হচ্ছে। পরম্পরা নামের এই গ্রন্থাগার ২টি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৫৪টি ওয়ার্ড প্রদক্ষিণ করবে। প্রাথমিকভাবে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্পট, যেমন পার্ক, মাঠ বা লোকজন আসে এমন খোলা জায়গায় এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, দেশের প্রতি তার অবদান এবং বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাভাবনা সম্পর্কে জনগণকে জানাতে ছয় মাসের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা আমাদের। এটি খুবই সামান্য। তার পরও স্বল্প সময়ের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা সফল হবে বলে বিশ্বাস করি।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন