তিব্বত হল উদ্ধারের দাবিতে জবিতে বিক্ষোভ
jugantor
তিব্বত হল উদ্ধারের দাবিতে জবিতে বিক্ষোভ

  জবি প্রতিনিধি  

৩০ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের দখলে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) তিব্বত হলসহ বাকি বেদখল হলগুলো উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে প্রধান ফটক থেকে ক্যাম্পাসের ভেতরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় তারা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বেদখল হল উদ্ধারের দাবি জানান। হল উদ্ধারে পদক্ষেপ না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের বিভিন্ন হলে দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীরা বসবাস করে আসছিলেন। ১৯৮৫ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হলগুলো বন্ধ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে এসব হলে শিক্ষার্থীরা আর ফিরতে পারেননি। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও পুলিশ হলগুলো দখল করে নেয়। সোয়ারীঘাটে অবস্থিত তিব্বত হলটি দখলে নেন হাজী সেলিম। ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৪ সালের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর কয়েকটি হল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অধীনে আসে। কিন্তু সরকারের উচ্চমহলের আশ্বাসের পরও বাকি হলগুলো উদ্ধার করা হয়নি। হল উদ্ধারে সরকার গঠিত কমিটি প্রতিবেদন দিলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। কয়েকটি হলের মালিকানা নিয়ে সরকারের সঙ্গে দখলদারদের মামলা চললেও সেগুলো আজ তলানিতে পড়ে আছে। সরকারের পক্ষ থেকেও মামলার আর খোঁজ রাখা হয়নি।

তিব্বত হল উদ্ধারের দাবিতে জবিতে বিক্ষোভ

 জবি প্রতিনিধি 
৩০ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের দখলে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) তিব্বত হলসহ বাকি বেদখল হলগুলো উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে প্রধান ফটক থেকে ক্যাম্পাসের ভেতরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় তারা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বেদখল হল উদ্ধারের দাবি জানান। হল উদ্ধারে পদক্ষেপ না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের বিভিন্ন হলে দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীরা বসবাস করে আসছিলেন। ১৯৮৫ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হলগুলো বন্ধ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে এসব হলে শিক্ষার্থীরা আর ফিরতে পারেননি। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও পুলিশ হলগুলো দখল করে নেয়। সোয়ারীঘাটে অবস্থিত তিব্বত হলটি দখলে নেন হাজী সেলিম। ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৪ সালের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর কয়েকটি হল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অধীনে আসে। কিন্তু সরকারের উচ্চমহলের আশ্বাসের পরও বাকি হলগুলো উদ্ধার করা হয়নি। হল উদ্ধারে সরকার গঠিত কমিটি প্রতিবেদন দিলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। কয়েকটি হলের মালিকানা নিয়ে সরকারের সঙ্গে দখলদারদের মামলা চললেও সেগুলো আজ তলানিতে পড়ে আছে। সরকারের পক্ষ থেকেও মামলার আর খোঁজ রাখা হয়নি।