বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকায় অস্থায়ী হিসাব খোলার নির্দেশ
jugantor
বিদেশি বিনিয়োগকারী
বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকায় অস্থায়ী হিসাব খোলার নির্দেশ
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩০ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশি উদ্যোক্তাদের ব্যাংক হিসাব খোলার নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে। রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে (ইজেড) বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগকারীরা জরুরি প্রয়োজনে অস্থায়ী ভিত্তিতে নন রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি টাকায় হিসাব খুলতে পারবে। বৈদেশিক মুদ্রার অ্যাকাউন্ট থেকে এ হিসাবে স্থানীয় মুদ্রা টাকাও স্থানান্তর করা যাবে। এ ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। পরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হিসাবগুলো পর্যায়ক্রমে প্রচলিত নিয়মনীতির মধ্যে আনতে হবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সূত্র জানায়, দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণে ইতোমধ্যেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকা হিসাব খোলার নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকগুলো আইনি জটিলতা তৈরি করে বিদেশি উদ্যোক্তাদের হিসাব খুলতে অহেতুক হয়রানি করছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অভিযোগ এসেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন করে আবার এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এতে বলা হয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাণিজ্যিক ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে (ওবিইউ) অস্থায়ী ভিত্তিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব যেমন খুলতে পারবে, তেমনি টাকায়ও পারবে। বৈদেশিক মুদ্রার হিসাবে ‘বৈদেশিক মুদ্রা’ জমা হলে সেগুলোর বিপরীতে টাকাও স্থানান্তর করা যাবে। এসব হিসাব পরিচালিত হবে ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে।

পরে পর্যায়ক্রমে বিনিয়োগকারীর অফিস বা তার সহযোগীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র নিয়ে হিসাবগুলোকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীর বিদেশি থেকে আনা মূলধন থেকে কোম্পানির প্রয়োজনে বা ব্যবসার উন্নয়নে গ্রাহক অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তবে স্থানীয় ব্যয় টাকায় করতে হবে। বিদেশি ব্যয় বৈদেশিক মুদ্রায় করতে হবে। বিদেশি কর্মীদের বেতনের ৭৫ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রায় দেয়া যাবে। তবে স্থানীয় কর্মীদের বেতনের শতভাগ টাকায় দিতে হবে। কোম্পানির বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও স্থানীয় মুদ্রা আয়ের হিসাবও আলাদা থাকতে হবে। যাতে দুই হিসাবের মধ্যকার ব্যবধান স্পষ্ট করা যায়।

বিদেশি বিনিয়োগকারী

বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকায় অস্থায়ী হিসাব খোলার নির্দেশ

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন
 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩০ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশি উদ্যোক্তাদের ব্যাংক হিসাব খোলার নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে। রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে (ইজেড) বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগকারীরা জরুরি প্রয়োজনে অস্থায়ী ভিত্তিতে নন রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি টাকায় হিসাব খুলতে পারবে। বৈদেশিক মুদ্রার অ্যাকাউন্ট থেকে এ হিসাবে স্থানীয় মুদ্রা টাকাও স্থানান্তর করা যাবে। এ ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। পরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হিসাবগুলো পর্যায়ক্রমে প্রচলিত নিয়মনীতির মধ্যে আনতে হবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সূত্র জানায়, দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণে ইতোমধ্যেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকা হিসাব খোলার নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকগুলো আইনি জটিলতা তৈরি করে বিদেশি উদ্যোক্তাদের হিসাব খুলতে অহেতুক হয়রানি করছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অভিযোগ এসেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন করে আবার এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এতে বলা হয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাণিজ্যিক ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে (ওবিইউ) অস্থায়ী ভিত্তিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব যেমন খুলতে পারবে, তেমনি টাকায়ও পারবে। বৈদেশিক মুদ্রার হিসাবে ‘বৈদেশিক মুদ্রা’ জমা হলে সেগুলোর বিপরীতে টাকাও স্থানান্তর করা যাবে। এসব হিসাব পরিচালিত হবে ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে।

পরে পর্যায়ক্রমে বিনিয়োগকারীর অফিস বা তার সহযোগীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র নিয়ে হিসাবগুলোকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীর বিদেশি থেকে আনা মূলধন থেকে কোম্পানির প্রয়োজনে বা ব্যবসার উন্নয়নে গ্রাহক অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তবে স্থানীয় ব্যয় টাকায় করতে হবে। বিদেশি ব্যয় বৈদেশিক মুদ্রায় করতে হবে। বিদেশি কর্মীদের বেতনের ৭৫ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রায় দেয়া যাবে। তবে স্থানীয় কর্মীদের বেতনের শতভাগ টাকায় দিতে হবে। কোম্পানির বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও স্থানীয় মুদ্রা আয়ের হিসাবও আলাদা থাকতে হবে। যাতে দুই হিসাবের মধ্যকার ব্যবধান স্পষ্ট করা যায়।