৩০ মার্চ রাত

বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬শ’ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিল

  বিশেষ সংবাদদাতা ০৯ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬শ’ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিল

আরেকটি বড় ধরনের ব্ল্যাক আউটের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলাদেশ। গত ৩০ মার্চ রাতে ঘূর্ণিঝড়ে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন লাইন ভেঙে পড়ায় একযোগে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬শ’ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়।

ট্রান্সমিশন লাইনে গাছ ভেঙে পড়লে একে একে শত শত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন সাড়ে ৯ হাজার মেগাওয়াট থেকে নেমে আসে ১৬শ’ মেগাওয়াটে। এটি প্রায় ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বিকল্প ব্যবস্থায় ১৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন রাখা সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি ওই রাতে বিকল্প ব্যবস্থায় ১৬শ’ মেগাওয়াট উৎপাদনে রাখা সম্ভব না হতো তাহলে আরেকটি ব্ল্যাক আউটের সম্ভবনা ছিল দেশে।

এর আগে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর একযোগে সারা দেশে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। এদিকে ৩০ মার্চের ঘটনায় বিপুল অংকের টাকার ক্ষতি হলেও এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি সরকার।

তবে গোপনে বিদ্যুৎ বিভাগ এ নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করেছে। এসব বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), পিজিসিবিসহ বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সে জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সারা দেশে ১৩২ কেভি ও ৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক লাইনের আশপাশে থাকা গাছ কেটে ফেলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে গাছ পড়ে যেসব লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মেরামত করতে হবে। অপরদিকে যেসব কারণে বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ ওঠানামা করছে তার কারণ খুঁজে বের করে অবিলম্বে তা বন্ধ করার জন্য বলা হয়েছে।

একইসঙ্গে সারা দেশে প্রতিটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে স্কাডা সিস্টেম (স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া) চালু করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×