গঠনতন্ত্র না মেনে ছাত্রলীগের জরুরি সভা
jugantor
গঠনতন্ত্র না মেনে ছাত্রলীগের জরুরি সভা

  মাহাদী হাসান  

২৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গঠনতন্ত্র না মেনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জরুরি সভা ডাকার ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। আর গঠনতন্ত্র না মেনে জরুরি সভা ডাকায় কেন্দ্রীয় কমিটির অনেকেই অংশগ্রহণ করেননি।

তবে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

রোববার বিকাল ৪টায় রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সংসদের এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।

তবে লেখক ও জয় দেরিতে আসায় নির্ধারিত সময়ের পরে সভা শুরু হয়। তাদের বিলম্বে সভায় আসা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক কেন্দ্রীয় নেতা।

একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আমরা যথাসময়ে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু সভাপতি ১ ঘণ্টা এবং সাধারণ সম্পাদক ৫০ মিনিট পর উপস্থিত হওয়ায় অনেকেই বিরক্ত হয়েছেন। জানা যায়, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-দফতরবিষয়ক সম্পাদক নাজির আহমেদ শনিবার রাত ২টা ১৬ মিনিটে সভা আহ্বান করেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে এ আহ্বান জানানো হয়।

যদিও অধিকাংশ নেতা এ আহবানে সাড়া দেননি। এরপর রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতাদের মুঠোফানে মিটিংয়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটির এক সহ-সভাপতি যুগান্তরকে বলেন, ২৪ ঘণ্টা আগে সভার বিষয়ে জানানোর গঠনতান্ত্রিক নিয়ম থাকলেও আমাদের তা জানানো হয়নি। এমনকি কোন বিষয়ে সভা হবে সে বিষয়টিও আমাদের অবগত করা হয়নি।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য যুগান্তরকে বলেন, মিটিং কখনও গঠনতন্ত্রবিরোধী হয় নাকি। যারা এটা বলছেন তারা ভুয়া কথা বলছেন। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে সভা ডেকেছি। বর্ধিত সভা তো ডাকিনি। আমরা চাইলে ১ ঘণ্টার নোটিশেও সভা ডাকতে পারি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন সম্পর্কে লেখক বলেন, এবার র‌্যালি হবে না। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রোগ্রাম হবে।

গঠনতন্ত্র না মেনে ছাত্রলীগের জরুরি সভা

 মাহাদী হাসান 
২৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গঠনতন্ত্র না মেনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জরুরি সভা ডাকার ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। আর গঠনতন্ত্র না মেনে জরুরি সভা ডাকায় কেন্দ্রীয় কমিটির অনেকেই অংশগ্রহণ করেননি।

তবে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

রোববার বিকাল ৪টায় রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সংসদের এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।

তবে লেখক ও জয় দেরিতে আসায় নির্ধারিত সময়ের পরে সভা শুরু হয়। তাদের বিলম্বে সভায় আসা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক কেন্দ্রীয় নেতা।

একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আমরা যথাসময়ে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু সভাপতি ১ ঘণ্টা এবং সাধারণ সম্পাদক ৫০ মিনিট পর উপস্থিত হওয়ায় অনেকেই বিরক্ত হয়েছেন। জানা যায়, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-দফতরবিষয়ক সম্পাদক নাজির আহমেদ শনিবার রাত ২টা ১৬ মিনিটে সভা আহ্বান করেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে এ আহ্বান জানানো হয়।

যদিও অধিকাংশ নেতা এ আহবানে সাড়া দেননি। এরপর রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতাদের মুঠোফানে মিটিংয়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটির এক সহ-সভাপতি যুগান্তরকে বলেন, ২৪ ঘণ্টা আগে সভার বিষয়ে জানানোর গঠনতান্ত্রিক নিয়ম থাকলেও আমাদের তা জানানো হয়নি। এমনকি কোন বিষয়ে সভা হবে সে বিষয়টিও আমাদের অবগত করা হয়নি।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য যুগান্তরকে বলেন, মিটিং কখনও গঠনতন্ত্রবিরোধী হয় নাকি। যারা এটা বলছেন তারা ভুয়া কথা বলছেন। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে সভা ডেকেছি। বর্ধিত সভা তো ডাকিনি। আমরা চাইলে ১ ঘণ্টার নোটিশেও সভা ডাকতে পারি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন সম্পর্কে লেখক বলেন, এবার র‌্যালি হবে না। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রোগ্রাম হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন