সার্ভেয়ার কেশবসহ দালাল মুহিব দুদকের হাতে আটক
jugantor
কক্সবাজার এলএ শাখায় দুর্নীতি
সার্ভেয়ার কেশবসহ দালাল মুহিব দুদকের হাতে আটক

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজার এলএ শাখার সাবেক সার্ভেয়ার কেশব লাল দেব ও শীর্ষ দালাল মুহিব উল্লাহকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শনিবার বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম জিইসি মোড়ে এমইএস কলেজ গেট থেকে তাদের আটক করা হয়।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি ও নানা অনিয়মে জড়িত থাকা এবং দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। আটক দালাল মহিব কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের ফরিদ আহমেদের ছেলে ও কেশব লাল দেব কক্সবাজার এলএ শাখার সাবেক সার্ভেয়ার বর্তমানে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখায় কর্মরত। দুদক সূত্র জানায়, কেশব লাল দেব কক্সবাজার এলএ শাখায় কর্মরত থাকাকালীন কক্সবাজারে সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে ভূমি অধিগ্রহণ কাজে মহিব উল্লাহসহ শতাধিক দালাল ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সিন্ডিকেট করে দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধভাবে শত শত কোটি টাকা আয় করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়াও কক্সবাজার ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় দুর্নীতি ও নানা অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক দালালদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতেও মহিব উল্লাহ ও সার্ভেয়ার কেশবের নাম উঠে আসে। তাদের এসব দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে সত্যতাও পেয়েছে দুদক। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা র্কাযালয়-২-এর উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

দুদক সূত্র আরও জানায়, কক্সবাজার জেলায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রথম কাজ ভূমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে দালালদের সিন্ডিকেটটি তৈরি হয়েছে। এসব দালাল জমির মালিকদের নাম দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসার পর দুদক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানের শুরুতেই দুদক ও র‌্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ ওয়াসিম নামের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার এক সার্ভেয়ারকে টাকাসহ আটক করে। তার তথ্যের ভিত্তিতে পরে ২২ জুলাই মো. সেলিম উল্লাহ, ৩ আগস্ট মোহাম্মদ কামরুদ্দিন ও সালাহ উদ্দিন নামের তিন দালালকে আটক করে দুদক। আটকের সময় এসব দালালের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকার ব্যাংক চেক ও ভূমি অধিগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মূল নথি উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজার এলএ শাখায় দুর্নীতি

সার্ভেয়ার কেশবসহ দালাল মুহিব দুদকের হাতে আটক

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজার এলএ শাখার সাবেক সার্ভেয়ার কেশব লাল দেব ও শীর্ষ দালাল মুহিব উল্লাহকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শনিবার বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম জিইসি মোড়ে এমইএস কলেজ গেট থেকে তাদের আটক করা হয়।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি ও নানা অনিয়মে জড়িত থাকা এবং দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। আটক দালাল মহিব কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের ফরিদ আহমেদের ছেলে ও কেশব লাল দেব কক্সবাজার এলএ শাখার সাবেক সার্ভেয়ার বর্তমানে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখায় কর্মরত। দুদক সূত্র জানায়, কেশব লাল দেব কক্সবাজার এলএ শাখায় কর্মরত থাকাকালীন কক্সবাজারে সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে ভূমি অধিগ্রহণ কাজে মহিব উল্লাহসহ শতাধিক দালাল ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সিন্ডিকেট করে দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধভাবে শত শত কোটি টাকা আয় করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়াও কক্সবাজার ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় দুর্নীতি ও নানা অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক দালালদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতেও মহিব উল্লাহ ও সার্ভেয়ার কেশবের নাম উঠে আসে। তাদের এসব দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে সত্যতাও পেয়েছে দুদক। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা র্কাযালয়-২-এর উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

দুদক সূত্র আরও জানায়, কক্সবাজার জেলায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রথম কাজ ভূমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে দালালদের সিন্ডিকেটটি তৈরি হয়েছে। এসব দালাল জমির মালিকদের নাম দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসার পর দুদক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানের শুরুতেই দুদক ও র‌্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ ওয়াসিম নামের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার এক সার্ভেয়ারকে টাকাসহ আটক করে। তার তথ্যের ভিত্তিতে পরে ২২ জুলাই মো. সেলিম উল্লাহ, ৩ আগস্ট মোহাম্মদ কামরুদ্দিন ও সালাহ উদ্দিন নামের তিন দালালকে আটক করে দুদক। আটকের সময় এসব দালালের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকার ব্যাংক চেক ও ভূমি অধিগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মূল নথি উদ্ধার করা হয়।