দাফনের এক মাস পর ছেলের মরদেহের সন্ধান পেল মা
jugantor
দাফনের এক মাস পর ছেলের মরদেহের সন্ধান পেল মা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে প্রায় এক মাস আগে সাদমান সাকিব রাফি নামে ২৩ বছর বয়সি এক যুবক নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও রাফির সন্ধান পায়নি পরিবার। তবে তার লাশ বেওয়ারিশ হিসাবে দাফন করার এক মাস পর পরিবার তার সন্ধান পায়। সোমবার রাফির মা মনোয়ারা হোসেন ছেলের ছবি নিয়ে হাতিরঝিল থানায় গিয়ে জানতে পারেন ১১ ফেব্র“য়ারি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম বেওয়ারিশ হিসাবে মরদেহটি দাফন করেছে। তাকে পুলিশ জানায়, ১৪ জানুয়ারি তারা হাতিরঝিল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের পর দীর্ঘদিন মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পড়ে ছিল।

মনোয়ারা আরও বলেন, ‘পুলিশ আমাকে ছবি দেখায়। লাশটা পানিতে ছিল, ফুলে গিয়েছিল। তারপরও ছবিতে কিছুটা মিল পাওয়া যায়। এরপর আমাকে জুতা দেখায়। জুতা দেখেই আমি চিনতে পারি, এটা আমার ছেলের জুতা। আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম আমার ছেলেকে কোথায় দাফন করেছে আমরা এখনো জানি না। যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তিনি বুধবার আসবেন।’ তিনি জানান, ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর ভাটারা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম। পুলিশের ধারণা ছিল আমার ছেলে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিতে গেছে। আমি বারবার বলেছি, আমার ছেলে জঙ্গি হতে পারে না। সে আত্মহত্যাও করবে না। আমার প্রশ্ন, আমার ছেলেকে কারা, কেন হত্যা করল। মনোয়ারা বলেন, ‘তিন ভাই বোনের মধ্যে রাফি সবার ছোট। তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তিন বছর আগে রাফি মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আসার পরে করোনা পরিস্থিতির কারণে সে আর ফিরে যেতে পারেনি। রাফির তেমন বন্ধু ছিল না। ঢাকা শহরও ভালোমতো চিনত না।

হাতিরঝিল থানার এসআই হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘মনোয়ারা তার ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেছেন। রাফির মৃত্যু কীভাবে হলো সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

দাফনের এক মাস পর ছেলের মরদেহের সন্ধান পেল মা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে প্রায় এক মাস আগে সাদমান সাকিব রাফি নামে ২৩ বছর বয়সি এক যুবক নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও রাফির সন্ধান পায়নি পরিবার। তবে তার লাশ বেওয়ারিশ হিসাবে দাফন করার এক মাস পর পরিবার তার সন্ধান পায়। সোমবার রাফির মা মনোয়ারা হোসেন ছেলের ছবি নিয়ে হাতিরঝিল থানায় গিয়ে জানতে পারেন ১১ ফেব্র“য়ারি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম বেওয়ারিশ হিসাবে মরদেহটি দাফন করেছে। তাকে পুলিশ জানায়, ১৪ জানুয়ারি তারা হাতিরঝিল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের পর দীর্ঘদিন মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পড়ে ছিল।

মনোয়ারা আরও বলেন, ‘পুলিশ আমাকে ছবি দেখায়। লাশটা পানিতে ছিল, ফুলে গিয়েছিল। তারপরও ছবিতে কিছুটা মিল পাওয়া যায়। এরপর আমাকে জুতা দেখায়। জুতা দেখেই আমি চিনতে পারি, এটা আমার ছেলের জুতা। আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম আমার ছেলেকে কোথায় দাফন করেছে আমরা এখনো জানি না। যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তিনি বুধবার আসবেন।’ তিনি জানান, ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর ভাটারা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম। পুলিশের ধারণা ছিল আমার ছেলে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিতে গেছে। আমি বারবার বলেছি, আমার ছেলে জঙ্গি হতে পারে না। সে আত্মহত্যাও করবে না। আমার প্রশ্ন, আমার ছেলেকে কারা, কেন হত্যা করল। মনোয়ারা বলেন, ‘তিন ভাই বোনের মধ্যে রাফি সবার ছোট। তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তিন বছর আগে রাফি মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আসার পরে করোনা পরিস্থিতির কারণে সে আর ফিরে যেতে পারেনি। রাফির তেমন বন্ধু ছিল না। ঢাকা শহরও ভালোমতো চিনত না।

হাতিরঝিল থানার এসআই হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘মনোয়ারা তার ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেছেন। রাফির মৃত্যু কীভাবে হলো সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’