ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন জরুরি: গোলাম রাব্বানী
jugantor
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন জরুরি: গোলাম রাব্বানী

  ঢাবি প্রতিনিধি  

০২ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক জিএস ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা সংশোধন ও পরিমার্জন অত্যন্ত জরুরি। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এক কথা লিখেন। গোলাম রাবানী লিখেন, ‘দুর্নীতিবাজ, ধর্ষক, ডাকাত, খুনি সবার জামিন হয়, অনেক ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনকভাবে ভয়াবহ অপরাধীর আগাম জামিন হয়, আর লেখা কিংবা আঁকার জন্য মানহানি বা কোনো অনুভূতি আঘাতের মামলায় বারবার আর্জি জানিয়েও জামিন মেলে না! হায় সেলুকাস! বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এ ছাত্রনেতা লিখেন, ‘বিচার বিভাগ কি আদৌ স্বাধীন? মনমতো না হলেই নানাবিধ উপায়ে উপর্যুপরি প্রেশার! বিচারক ও তার অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, বদলি, প্রমোশন, বোনাস, পেনশন সবকিছুই যদি আইন মন্ত্রণালয় অর্থাৎ ‘এক্সিকিউটিভ’ অর্গানের হাতে থাকে তাহলে ‘জুডিশিয়ারি’ কিভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করবে? রাব্বানী আরও লিখেন, ‘আর হ্যাঁ, কোনো আইনে যখন দমন-পীড়নে বা কোনো গোষ্ঠীর হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার হওয়ার ন্যূনতম সুযোগ থাকে, তখনই সেটা কালো আইনের তকমা পেয়ে যায়! ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিশেষ কিছু ধারা সংশোধন ও পরিমার্জন অত্যন্ত জরুরি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন জরুরি: গোলাম রাব্বানী

 ঢাবি প্রতিনিধি 
০২ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক জিএস ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা সংশোধন ও পরিমার্জন অত্যন্ত জরুরি। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এক কথা লিখেন। গোলাম রাবানী লিখেন, ‘দুর্নীতিবাজ, ধর্ষক, ডাকাত, খুনি সবার জামিন হয়, অনেক ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনকভাবে ভয়াবহ অপরাধীর আগাম জামিন হয়, আর লেখা কিংবা আঁকার জন্য মানহানি বা কোনো অনুভূতি আঘাতের মামলায় বারবার আর্জি জানিয়েও জামিন মেলে না! হায় সেলুকাস! বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এ ছাত্রনেতা লিখেন, ‘বিচার বিভাগ কি আদৌ স্বাধীন? মনমতো না হলেই নানাবিধ উপায়ে উপর্যুপরি প্রেশার! বিচারক ও তার অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, বদলি, প্রমোশন, বোনাস, পেনশন সবকিছুই যদি আইন মন্ত্রণালয় অর্থাৎ ‘এক্সিকিউটিভ’ অর্গানের হাতে থাকে তাহলে ‘জুডিশিয়ারি’ কিভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করবে? রাব্বানী আরও লিখেন, ‘আর হ্যাঁ, কোনো আইনে যখন দমন-পীড়নে বা কোনো গোষ্ঠীর হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার হওয়ার ন্যূনতম সুযোগ থাকে, তখনই সেটা কালো আইনের তকমা পেয়ে যায়! ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিশেষ কিছু ধারা সংশোধন ও পরিমার্জন অত্যন্ত জরুরি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন