বিএসএমএমইউতে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট চালু
jugantor
বিএসএমএমইউতে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট চালু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোভিড-১৯ জনিত সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ফিভার ক্লিনিকে চালু হলো ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট।

এর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ডা. মিল্টন হলে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে ৫০ শয্যা নিয়ে বেতার ভবনের করোনা ইউনিটের রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

পরে আরও ৫০ শয্যা বাড়ানো হবে। বর্তমান প্রশাসন গত ২৯ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণের পর ইতোমধ্যে ১০০ শয্যা ও ২০টি কেবিন বৃদ্ধি করেছে।

আইসিইউ বেড আরও ১০টি বৃদ্ধি করা হবে। অর্থাৎ, অতিরিক্ত ১৫০টি করোনা বেড, ১০টি আইসিইউ বেড এবং ২০টি কেবিন বৃদ্ধি করা হবে। এ ছাড়া হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর, সিপ্যাপ মেশিন, আরটি পিসিআর মেশিন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন বলেন, বর্তমানে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে (আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট) মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।

এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের পরিমাণ ৮১ শতাংশ। এতে রোগীদের মৃত্যুহার কম হলেও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। বর্তমানে করোনা মোকাবিলাই প্রধান চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই কক্ষে টানা আধ থেকে এক ঘণ্টার বেশি অনেক লোক থাকা যাবে না।

নিয়মিত গরম পানির গড়গড়া ও কমপক্ষে দিনে তিনবার গরম পানির ভাপ নিতে হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে উপাচার্য বলেন, যাদের স্মার্টফোন নেই বা স্মার্টফোন ব্যবহারে অক্ষম তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে এসে অন স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা করতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনের আগে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বেতার ভবনে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সম্প্রসারিত করোনা ইউনিটের উদ্বোধন করেন।

বিএসএমএমইউতে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট চালু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোভিড-১৯ জনিত সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ফিভার ক্লিনিকে চালু হলো ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট।

এর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ডা. মিল্টন হলে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে ৫০ শয্যা নিয়ে বেতার ভবনের করোনা ইউনিটের রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

পরে আরও ৫০ শয্যা বাড়ানো হবে। বর্তমান প্রশাসন গত ২৯ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণের পর ইতোমধ্যে ১০০ শয্যা ও ২০টি কেবিন বৃদ্ধি করেছে।

আইসিইউ বেড আরও ১০টি বৃদ্ধি করা হবে। অর্থাৎ, অতিরিক্ত ১৫০টি করোনা বেড, ১০টি আইসিইউ বেড এবং ২০টি কেবিন বৃদ্ধি করা হবে। এ ছাড়া হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর, সিপ্যাপ মেশিন, আরটি পিসিআর মেশিন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন বলেন, বর্তমানে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে (আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট) মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।

এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের পরিমাণ ৮১ শতাংশ। এতে রোগীদের মৃত্যুহার কম হলেও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। বর্তমানে করোনা মোকাবিলাই প্রধান চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই কক্ষে টানা আধ থেকে এক ঘণ্টার বেশি অনেক লোক থাকা যাবে না।

নিয়মিত গরম পানির গড়গড়া ও কমপক্ষে দিনে তিনবার গরম পানির ভাপ নিতে হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে উপাচার্য বলেন, যাদের স্মার্টফোন নেই বা স্মার্টফোন ব্যবহারে অক্ষম তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে এসে অন স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা করতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনের আগে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বেতার ভবনে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সম্প্রসারিত করোনা ইউনিটের উদ্বোধন করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন