অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগিয়ে তোলার ব্রতী খেলাঘর
jugantor
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা
অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগিয়ে তোলার ব্রতী খেলাঘর

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা আয়োজনে পালিত হলো জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘরের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনায় ১৯৫২ সালের ২ মে যাত্রা শুরু হওয়া সংগঠনের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রোববার রাতে ভার্চুয়ালি ‘এগিয়ে চলার ৬৯ বছর শীর্ষক’ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কেন্দ্রের পক্ষ থেকে। শিশু-কিশোররা আনন্দঘন পরিবেশে পরিবেশনাসহ আয়োজনে অংশ নেয়। এরপর আয়োজন করা হয় শিশু পার্লামেন্টের। শিশুদের মনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগিয়ে তোলার জন্য খেলাঘর বিভিন্ন শিল্প-সাহিত্য-কলার মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় খেলাঘর শিশুরা সমবেতকণ্ঠে গায়-‘এসো সেতু গড়ি, মানুষে-মানুষে, জাতিতে-জাতিতে সেতু গড়ি’।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সভাপতিমণ্ডলীর চেয়ারম্যান অধ্যাপক পান্না কায়সার। খেলাঘর শিশু সদস্য সেমন্তী রদৌসী সঞ্চালনায় ‘আমরা তো সৈনিক, শান্তির সৈনিক অক্ষয় উজ্জ্বল সূর্য’। অনুষ্ঠানে সর্বভারতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন সব পেয়েছির আসরের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী শ্রী অপূর্ব গাঙ্গুলী শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। স্মৃতিচারণ করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, সরকারি রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সাবেক খেলাঘর সংগঠক প্রফেসর মোসারফ আলী, জহুরুল আলম ঝরা, তাহমীন সুলতানা স্বাতী, আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা প্রমুখ। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর, আঞ্চলিক শাখা আসরগুলো স্থানীয়ভাবে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সারা দেশ থেকে ১২টি জেলার শিশু-কিশোর ভাই-বোনরা গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করে। সমবেতকণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিশুদের কথা শিশুরাই বলবে শীর্ষক শিশু পার্লামেন্টের আয়োজন করা হয় কেন্দ্রীয় খেলাঘরের পক্ষ থেকে। দেশের বিভিন্ন জেলার ৬০ জন শিশু-সাংসদ নিজ নিজ জেলার শিশুদের সমস্যাবলী তুলে ধরেন। আয়োজনে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী। ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন সাংবাদিক চিত্তরঞ্জন শীল, অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন ঠান্ডু ও অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা

অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগিয়ে তোলার ব্রতী খেলাঘর

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা আয়োজনে পালিত হলো জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘরের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনায় ১৯৫২ সালের ২ মে যাত্রা শুরু হওয়া সংগঠনের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রোববার রাতে ভার্চুয়ালি ‘এগিয়ে চলার ৬৯ বছর শীর্ষক’ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কেন্দ্রের পক্ষ থেকে। শিশু-কিশোররা আনন্দঘন পরিবেশে পরিবেশনাসহ আয়োজনে অংশ নেয়। এরপর আয়োজন করা হয় শিশু পার্লামেন্টের। শিশুদের মনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগিয়ে তোলার জন্য খেলাঘর বিভিন্ন শিল্প-সাহিত্য-কলার মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় খেলাঘর শিশুরা সমবেতকণ্ঠে গায়-‘এসো সেতু গড়ি, মানুষে-মানুষে, জাতিতে-জাতিতে সেতু গড়ি’।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সভাপতিমণ্ডলীর চেয়ারম্যান অধ্যাপক পান্না কায়সার। খেলাঘর শিশু সদস্য সেমন্তী রদৌসী সঞ্চালনায় ‘আমরা তো সৈনিক, শান্তির সৈনিক অক্ষয় উজ্জ্বল সূর্য’। অনুষ্ঠানে সর্বভারতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন সব পেয়েছির আসরের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী শ্রী অপূর্ব গাঙ্গুলী শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। স্মৃতিচারণ করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, সরকারি রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সাবেক খেলাঘর সংগঠক প্রফেসর মোসারফ আলী, জহুরুল আলম ঝরা, তাহমীন সুলতানা স্বাতী, আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা প্রমুখ। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর, আঞ্চলিক শাখা আসরগুলো স্থানীয়ভাবে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সারা দেশ থেকে ১২টি জেলার শিশু-কিশোর ভাই-বোনরা গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করে। সমবেতকণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিশুদের কথা শিশুরাই বলবে শীর্ষক শিশু পার্লামেন্টের আয়োজন করা হয় কেন্দ্রীয় খেলাঘরের পক্ষ থেকে। দেশের বিভিন্ন জেলার ৬০ জন শিশু-সাংসদ নিজ নিজ জেলার শিশুদের সমস্যাবলী তুলে ধরেন। আয়োজনে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী। ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন সাংবাদিক চিত্তরঞ্জন শীল, অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন ঠান্ডু ও অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন