টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন
jugantor
টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্য উচ্চপর্যায়ের সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কমিটি গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে এ কমিটি কাজ করবে।

টিকা সংগ্রহ থেকে শুরু করে টিকা নির্বাচন, চাহিদা নিরূপণ, বিতরণ ও দর কষাকষির মাধ্যমে টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রিসভা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র বলছে, নিরাপদ ও কার্যকর হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী টিকা নির্বাচন করা হবে।

জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পাওয়া টিকার মূল্য দর কষাকষির মাধ্যমে নির্ধারণ করবে কমিটি। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ টিকাসংক্রান্ত একটি জরুরি সভা হয়।

ওই সভায় আগামী ৪ মাসের জন্য টিকা সংগ্রহের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বলা হয়, স্বাস্থ্য বিভাগ টিকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি অনুসরণ করবে।

কমিটিতে আরও রয়েছেন-স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন মহাপরিচালক, অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এ বছরের জানুয়ারিতে প্রথম জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। এ টিকা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত কোভিশিল্ড। দেশে এ টিকা এখন প্রয়োগ করা হচ্ছে। আর ২৭ এপ্রিল রাশিয়ার টিকা স্পুটনিক ভি অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশে এ টিকা ব্যবহৃত হচ্ছে। সবশেষ ২৯ এপ্রিল চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মার তৈরি এ টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

চীনের টিকাটি ব্যবহৃত হচ্ছে ৩৫টি দেশে। সব মিলিয়ে সরকার করোনার তিনটি টিকার অনুমোদন দিল। এর মধ্যে দুটি টিকা দেশে উৎপাদনের কথা আলোচনায় আছে।

ভারত থেকে কেনা ও উপহার হিসাবে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৩ লাখ টিকা পেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চুক্তি হয়েছিল তিন কোটি টিকার। ডিসেম্বরে সেরামের সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যে সব টিকা আসার কথা।

এদিকে চীন উপহার হিসাবে বাংলাদেশকে যে ৫ লাখ টিকা দিচ্ছে, তা ১০ মের মধ্যে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চীন থেকে আরও টিকা কেনার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। চার-পাঁচ কোটি ডোজ হলেও নেওয়া হবে। রাশিয়ার টিকা আনার বিষয়েও কথা হয়েছে।

টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্য উচ্চপর্যায়ের সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কমিটি গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে এ কমিটি কাজ করবে।

টিকা সংগ্রহ থেকে শুরু করে টিকা নির্বাচন, চাহিদা নিরূপণ, বিতরণ ও দর কষাকষির মাধ্যমে টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রিসভা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র বলছে, নিরাপদ ও কার্যকর হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী টিকা নির্বাচন করা হবে।

জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পাওয়া টিকার মূল্য দর কষাকষির মাধ্যমে নির্ধারণ করবে কমিটি। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ টিকাসংক্রান্ত একটি জরুরি সভা হয়।

ওই সভায় আগামী ৪ মাসের জন্য টিকা সংগ্রহের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বলা হয়, স্বাস্থ্য বিভাগ টিকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি অনুসরণ করবে।

কমিটিতে আরও রয়েছেন-স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন মহাপরিচালক, অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এ বছরের জানুয়ারিতে প্রথম জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। এ টিকা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত কোভিশিল্ড। দেশে এ টিকা এখন প্রয়োগ করা হচ্ছে। আর ২৭ এপ্রিল রাশিয়ার টিকা স্পুটনিক ভি অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশে এ টিকা ব্যবহৃত হচ্ছে। সবশেষ ২৯ এপ্রিল চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মার তৈরি এ টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

চীনের টিকাটি ব্যবহৃত হচ্ছে ৩৫টি দেশে। সব মিলিয়ে সরকার করোনার তিনটি টিকার অনুমোদন দিল। এর মধ্যে দুটি টিকা দেশে উৎপাদনের কথা আলোচনায় আছে।

ভারত থেকে কেনা ও উপহার হিসাবে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৩ লাখ টিকা পেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চুক্তি হয়েছিল তিন কোটি টিকার। ডিসেম্বরে সেরামের সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যে সব টিকা আসার কথা।

এদিকে চীন উপহার হিসাবে বাংলাদেশকে যে ৫ লাখ টিকা দিচ্ছে, তা ১০ মের মধ্যে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চীন থেকে আরও টিকা কেনার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। চার-পাঁচ কোটি ডোজ হলেও নেওয়া হবে। রাশিয়ার টিকা আনার বিষয়েও কথা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন