‘যদি সচেতন হই তবেই রক্ষা পাব’
jugantor
আ.লীগের অক্সিজেন কনসেনট্রেটর বিতরণ
‘যদি সচেতন হই তবেই রক্ষা পাব’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানুষকে করোনায় সচেতন করতে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হবে। সবাইকে শতভাগ মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। করোনা পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক, আমরা যদি সচেতন হই, তাহলে রক্ষা পাব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে।

সোমবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দলের ত্রাণ উপকমিটির পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ফুলসেট, অক্সিজেন সিলিন্ডার, উন্নতমানের কাপড়ের মাস্ক, উন্নতমানের সার্জিক্যাল মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ভার্চুয়ালি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, মানুষকে করোনায় সচেতন হতে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হবে। সবাইকে শতভাগ মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিনি ঈদ উৎসব যাতে অন্তিম উৎসবে পরিণত না হয়, সেদিকেও সবাইকে খেয়াল রাখতে অনুরোধ করেন। হাসপাতালে করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী এবং পিছিয়ে পড়া ব্যক্তিদের ঈদসামগ্রী বিতরণ করায় উপকমিটিকে ধন্যবাদ জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, করোনা পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক, আমরা যদি সচেতন হই, তাহলে রক্ষা পাব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে আছেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, করোনার টিকা নিয়ে একটি পক্ষ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকল্প পদ্ধতিতে করোনার টিকা নিয়ে আসবেন। দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তিনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, গত বছর বর্ষায় আমন ধান সংগ্রহ কম হলেও খাদ্যের সংকট হয়নি। চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় অধিকাংশ ধান কাটা হয়েছে। বাকি ধান কাটা হলে দেশের খাদ্য সংকট হবে না।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবন এবং জীবিকাকে সমন্বয় করে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণের জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে নির্দেশনা দিয়েছেন। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি বরাবরের মতোই শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর বিতরণসহ করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী বিতরণ করা এবং কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষের মাঝে পবিত্র ঈদ উপলক্ষ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। আমরা মানবতার পাশে আছি, থাকব।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতারুজ্জামান, উপকমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন এমপি, ডা. হেদায়াতুল ইসলাম বাদল, আখলাকুর রহমান মাইনু, হাসিবুর রহমান বিজন, মো. হারুন অর রশীদ, পঙ্কজ সাহা, কৃষিবিদ দীপক কুমার বনিক, নুরুননবী ভুইয়া কামাল, মিজানুর রহমান, আব্দুল বারেক, আমিনুল ইসলাম খান, আমিনুর রশীদ দুলাল, আকাশ জয়ন্ত গোপ, শাহ আলমগীর, রফিকুল ইসলাম রনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আ.লীগের অক্সিজেন কনসেনট্রেটর বিতরণ

‘যদি সচেতন হই তবেই রক্ষা পাব’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানুষকে করোনায় সচেতন করতে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হবে। সবাইকে শতভাগ মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। করোনা পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক, আমরা যদি সচেতন হই, তাহলে রক্ষা পাব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে।

সোমবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দলের ত্রাণ উপকমিটির পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ফুলসেট, অক্সিজেন সিলিন্ডার, উন্নতমানের কাপড়ের মাস্ক, উন্নতমানের সার্জিক্যাল মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ভার্চুয়ালি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, মানুষকে করোনায় সচেতন হতে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হবে। সবাইকে শতভাগ মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিনি ঈদ উৎসব যাতে অন্তিম উৎসবে পরিণত না হয়, সেদিকেও সবাইকে খেয়াল রাখতে অনুরোধ করেন। হাসপাতালে করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী এবং পিছিয়ে পড়া ব্যক্তিদের ঈদসামগ্রী বিতরণ করায় উপকমিটিকে ধন্যবাদ জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, করোনা পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক, আমরা যদি সচেতন হই, তাহলে রক্ষা পাব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে আছেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, করোনার টিকা নিয়ে একটি পক্ষ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকল্প পদ্ধতিতে করোনার টিকা নিয়ে আসবেন। দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তিনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, গত বছর বর্ষায় আমন ধান সংগ্রহ কম হলেও খাদ্যের সংকট হয়নি। চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় অধিকাংশ ধান কাটা হয়েছে। বাকি ধান কাটা হলে দেশের খাদ্য সংকট হবে না।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবন এবং জীবিকাকে সমন্বয় করে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণের জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে নির্দেশনা দিয়েছেন। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি বরাবরের মতোই শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর বিতরণসহ করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী বিতরণ করা এবং কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষের মাঝে পবিত্র ঈদ উপলক্ষ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। আমরা মানবতার পাশে আছি, থাকব।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতারুজ্জামান, উপকমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন এমপি, ডা. হেদায়াতুল ইসলাম বাদল, আখলাকুর রহমান মাইনু, হাসিবুর রহমান বিজন, মো. হারুন অর রশীদ, পঙ্কজ সাহা, কৃষিবিদ দীপক কুমার বনিক, নুরুননবী ভুইয়া কামাল, মিজানুর রহমান, আব্দুল বারেক, আমিনুল ইসলাম খান, আমিনুর রশীদ দুলাল, আকাশ জয়ন্ত গোপ, শাহ আলমগীর, রফিকুল ইসলাম রনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন