৯০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ দুদকে
jugantor
৯০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ দুদকে
এনামুল-রূপনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি এনামুল হক ও তার ভাই থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৯০ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর ভিত্তিতে চারজনের বিরুদ্ধে করা দুটি মামলায় অভিযোগপত্র অনুমোদন করেছে দুদক। দুদকের সভায় বৃহস্পতিবার দুই মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

দুদক সচিব বলেন, এক মামলার তদন্তে আসামি এনামুল হকের বিরুদ্ধে ক্যাসিনো কারবারসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ৪৭ কোটি ৩৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৭৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরও প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনে এনামুলের দুই সহযোগী হারুনুর রশীদ ও আবুল কালাম আজাদের সহযোগিতা করার প্রমাণ মিলেছে। অন্যদিকে রূপন ভূঁইয়ার নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৪২ কোটি ৯৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭০ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৭ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। রূপন ভূঁইয়া ক্যাসিনো কারবার ও বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধভাবে এ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এনামুল হক এবং তার দুই সহযোগী হারুনুর রশীদ ও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর দুটি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। তাকে অবৈধ অর্থ অর্জনে সহায়তা করেন রাজধানীর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম ও এনামুলের বন্ধু হিসাবে পরিচিত হারুন অর রশিদ। তাই তিনজনকে একটি মামলায় আসামি করা হয়। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ছিল। আর এনামুলের ভাই রূপন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী। রূপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ করেছেন। তারও বৈধ কোনো আয়ের উৎস নেই। মামলার বাদী দুদকের দুই কর্মকর্তা এর তদন্ত করেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের অংশ হিসাবে ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতা এনামুল হক ও তার ভাই রূপন ভূঁইয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে টাকা ও গয়না জব্দ করার পর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম ও এনামুলের বন্ধু হিসাবে পরিচিত হারুন অর রশিদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে সব মিলিয়ে ৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৭২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করে র‌্যাব।

৯০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ দুদকে

এনামুল-রূপনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি এনামুল হক ও তার ভাই থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৯০ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর ভিত্তিতে চারজনের বিরুদ্ধে করা দুটি মামলায় অভিযোগপত্র অনুমোদন করেছে দুদক। দুদকের সভায় বৃহস্পতিবার দুই মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

দুদক সচিব বলেন, এক মামলার তদন্তে আসামি এনামুল হকের বিরুদ্ধে ক্যাসিনো কারবারসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ৪৭ কোটি ৩৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৭৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরও প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনে এনামুলের দুই সহযোগী হারুনুর রশীদ ও আবুল কালাম আজাদের সহযোগিতা করার প্রমাণ মিলেছে। অন্যদিকে রূপন ভূঁইয়ার নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৪২ কোটি ৯৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭০ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৭ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। রূপন ভূঁইয়া ক্যাসিনো কারবার ও বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধভাবে এ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এনামুল হক এবং তার দুই সহযোগী হারুনুর রশীদ ও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর দুটি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। তাকে অবৈধ অর্থ অর্জনে সহায়তা করেন রাজধানীর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম ও এনামুলের বন্ধু হিসাবে পরিচিত হারুন অর রশিদ। তাই তিনজনকে একটি মামলায় আসামি করা হয়। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ছিল। আর এনামুলের ভাই রূপন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী। রূপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ করেছেন। তারও বৈধ কোনো আয়ের উৎস নেই। মামলার বাদী দুদকের দুই কর্মকর্তা এর তদন্ত করেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের অংশ হিসাবে ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতা এনামুল হক ও তার ভাই রূপন ভূঁইয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে টাকা ও গয়না জব্দ করার পর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম ও এনামুলের বন্ধু হিসাবে পরিচিত হারুন অর রশিদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে সব মিলিয়ে ৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৭২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করে র‌্যাব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন