শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে ছাড়
jugantor
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার
শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে ছাড়
জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, সার, কৃষি উপকরণ আমদানিতে সুবিধা বাড়ল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বৈদেশিক লেনদেনের নীতিমালা আরও এক দফা শিথিল করা হয়েছে। এর আওতায় আগে যেসব সুবিধা দেওয়া হয়েছিল সেগুলোর মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত ওইসব সুবিধা ছিল। ফলে ওই পর্যন্ত বাড়তি সুবিধা ব্যবহার করে শিল্পের যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, করোনা প্রতিরোধে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ আমদানি করা যাবে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের জানানোর জন্যও ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে।

শিল্প খাতের আমদানিকারকরা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন শিল্পের উপকরণ (যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল) আমদানির ক্ষেত্রেও আলোচ্য সুবিধা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাবেন। শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে পণ্য দেশে আনতে হয়। এর মধ্যে পণ্য দেশে না এলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে পণ্য দেশে না আনার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। করোনার কারণে বিদেশ থেকে এসব পণ্য ঠিকমতো আসছে না। এ কারণে এসব পণ্য আমদানির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এগুলোর মেয়াদ আরও কয়েক দফায় তিন মাস করে বাড়ানো হয়েছে।

একই সঙ্গে এসব পণ্য আমদানিতে এলসির বিপরীতে যেসব স্থানীয় বা বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হয় সেগুলো পরিশোধের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। একই প্রক্রিয়ায় কৃষিভিত্তিক শিল্পের কাঁচামাল, সারসহ অন্যান্য উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রেও এ সুবিধা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনার প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, কিট, মাস্ক, পিপিপিসহ অন্যান্য উপকরণ জরুরি ভিত্তিতে আমদানির প্রয়োজন পড়ে। এ ছাড়াও রয়েছে নানা ধরনের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। এ কারণে রফতানিকারকদের আগাম মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি এলসির বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলার বা এর সমপরিমাণ যে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা আগাম পরিশোধ করা যাবে। এ সুবিধার মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রয়েছে। এ সুবিধাও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে ছাড়

জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, সার, কৃষি উপকরণ আমদানিতে সুবিধা বাড়ল
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বৈদেশিক লেনদেনের নীতিমালা আরও এক দফা শিথিল করা হয়েছে। এর আওতায় আগে যেসব সুবিধা দেওয়া হয়েছিল সেগুলোর মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত ওইসব সুবিধা ছিল। ফলে ওই পর্যন্ত বাড়তি সুবিধা ব্যবহার করে শিল্পের যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, করোনা প্রতিরোধে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ আমদানি করা যাবে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের জানানোর জন্যও ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে।

শিল্প খাতের আমদানিকারকরা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন শিল্পের উপকরণ (যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল) আমদানির ক্ষেত্রেও আলোচ্য সুবিধা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাবেন। শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে পণ্য দেশে আনতে হয়। এর মধ্যে পণ্য দেশে না এলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে পণ্য দেশে না আনার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। করোনার কারণে বিদেশ থেকে এসব পণ্য ঠিকমতো আসছে না। এ কারণে এসব পণ্য আমদানির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এগুলোর মেয়াদ আরও কয়েক দফায় তিন মাস করে বাড়ানো হয়েছে।

একই সঙ্গে এসব পণ্য আমদানিতে এলসির বিপরীতে যেসব স্থানীয় বা বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হয় সেগুলো পরিশোধের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। একই প্রক্রিয়ায় কৃষিভিত্তিক শিল্পের কাঁচামাল, সারসহ অন্যান্য উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রেও এ সুবিধা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনার প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, কিট, মাস্ক, পিপিপিসহ অন্যান্য উপকরণ জরুরি ভিত্তিতে আমদানির প্রয়োজন পড়ে। এ ছাড়াও রয়েছে নানা ধরনের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। এ কারণে রফতানিকারকদের আগাম মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি এলসির বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলার বা এর সমপরিমাণ যে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা আগাম পরিশোধ করা যাবে। এ সুবিধার মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রয়েছে। এ সুবিধাও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন