দেশে ৫ লাখ পুষ্টি বাগান করবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
jugantor
দেশে ৫ লাখ পুষ্টি বাগান করবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহামারি করোনাকালেও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। করোনায় খাদ্যসংকট মোকাবিলা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ৪৩৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ লাখ পুষ্টি বাগান করা হবে। সফলভাবে এটি বাস্তবায়ন করতে পারলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পারিবারিক শাকসবজি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে। ঢাকার বিএআরসি মিলনায়তনে মঙ্গলবার ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পের কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প গ্রহণের আগে গত বছর দেশব্যাপী চার হাজার ৪৩১টি ইউনিয়নে ৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় এক লাখ ৪১ হাজার পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ৪৩৮ কোটি টাকার ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পটি এ বছরের মার্চে একনেকে অনুমোদিত হয়।

প্রকল্পের উপস্থাপনায় জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি ৫৩ লাখ বসতবাড়ি রয়েছে। এসব বসতবাড়ির অধিকাংশ জায়গা অব্যবহৃত ও পতিত পড়ে থাকে। কিছু বসতবাড়িতে অপরিকল্পিতভাবে শাকসবজি আবাদ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বসতবাড়ির অব্যবহৃত জমিতে ১০০টি করে অর্থাৎ মোট চার লাখ ৮৮ হাজার সবজি, ফল ও মসলাজাতীয় ফসলের পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় সবজি সংরক্ষণের জন্য ক্ষুদ্র আকারে দেশজ পদ্ধতির বিদ্যুৎবিহীন ৬৪টি কুল চেম্ব^ার স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলে পারিবারিক পর্যায় নিরাপদ মানসম্মত শাকসবজি, মসলা এবং মৌসুমি ফল উৎপাদনে সহায়ক হবে।

দেশে ৫ লাখ পুষ্টি বাগান করবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহামারি করোনাকালেও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। করোনায় খাদ্যসংকট মোকাবিলা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ৪৩৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ লাখ পুষ্টি বাগান করা হবে। সফলভাবে এটি বাস্তবায়ন করতে পারলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পারিবারিক শাকসবজি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে। ঢাকার বিএআরসি মিলনায়তনে মঙ্গলবার ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পের কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প গ্রহণের আগে গত বছর দেশব্যাপী চার হাজার ৪৩১টি ইউনিয়নে ৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় এক লাখ ৪১ হাজার পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ৪৩৮ কোটি টাকার ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পটি এ বছরের মার্চে একনেকে অনুমোদিত হয়।

প্রকল্পের উপস্থাপনায় জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি ৫৩ লাখ বসতবাড়ি রয়েছে। এসব বসতবাড়ির অধিকাংশ জায়গা অব্যবহৃত ও পতিত পড়ে থাকে। কিছু বসতবাড়িতে অপরিকল্পিতভাবে শাকসবজি আবাদ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বসতবাড়ির অব্যবহৃত জমিতে ১০০টি করে অর্থাৎ মোট চার লাখ ৮৮ হাজার সবজি, ফল ও মসলাজাতীয় ফসলের পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় সবজি সংরক্ষণের জন্য ক্ষুদ্র আকারে দেশজ পদ্ধতির বিদ্যুৎবিহীন ৬৪টি কুল চেম্ব^ার স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলে পারিবারিক পর্যায় নিরাপদ মানসম্মত শাকসবজি, মসলা এবং মৌসুমি ফল উৎপাদনে সহায়ক হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন