ঈদে ঢাকায় থাকছেন বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ
jugantor
ঈদে ঢাকায় থাকছেন বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারি করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো এবার কোরবানি ঈদেও বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ ঢাকায় অবস্থান করবেন। তবে ফোনে এবং ভার্চুয়াল মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন তারা। পাশাপাশি অনেকে নিজ নির্বাচনি এলাকায় পাঠিয়েছেন ঈদ উপহার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী। লকডাউন শিথিল করায় কেউ কেউ আবার ঈদ করতে যাবেন নিজ নিজ এলাকায়। ঈদের আগে নির্বাচনি এলাকা ঘুরে এসেছেন অনেকে।

সাধারণত ঈদ হচ্ছে গ্রামের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাক্ষাতের একটা বড় উপলক্ষ্য। ঈদ এলেই ঢাকার ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা গ্রামের বাড়িতে যান। আর সেই সুযোগে তৃণমূল নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নেতাদের কাছে তাদের সুখ-দুঃখ, সুবিধা-অসুবিধার কথা জানান। গত বছরের মতো এবারও টানা দুই ঈদে অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখা পাচ্ছেন না তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ করবেন রাজধানী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে। প্রতিবছর ঈদের দিন আওয়ামী লীগসহ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বিদেশি কূটনীতিক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। তবে করোনার কারণে গত বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহার দিনে প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি রাখা হয়নি। ফোনে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলে গণভবন সূত্রে জানা গেছে। এদিকে ইতোমধ্যেই অডিও বার্তায় দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মাথায় রেখে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী এবারও ঢাকায়ই ঈদ করবেন। দলটির উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং ১৪ দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় ঈদুল আজহা উদযাপন করবেন। উপদেষ্টা পরিষদের আরেক সদস্য তোফায়েল আহমেদও ঈদ করবেন রাজধানীতেই। ঈদের দিন বনানীর বাসায় কাটাবেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঈদ করবেন ঢাকায়। তবে নোয়াখালীতে নিজের নির্বাচনি এলাকার নেতাকর্মীদের খোঁজখবর রাখছেন ঢাকায় বসেই। ভয়াবহ অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার পর তিনি সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবনেই থাকছেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্লাহ, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমানও ঈদ করবেন ঢাকায়।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে মাহবুবউল আলম হানিফ নিজ জেলা কুষ্টিয়া ঘুরে এসেছেন। তিনি ঈদ করবেন ঢাকায়। তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ইউরোপ সফর করে গত রোববার দেশে ফিরেছেন। ঈদে ঢাকার মিন্টু রোডের বাসাতেই থাকছেন তিনি। আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ঈদে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর যাবেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন নিজ নির্বাচনি এলাকার মানুষের সঙ্গে ঈদ করবেন। আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন ঈদ উদযাপন করবেন ঢাকায়। সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম রোববার জামালপুরে গেছেন। সেখানে ঈদ উদযাপন শেষে তিনি ঈদের পর ঢাকায় ফিরবেন। অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেনও রোববার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী গেছেন। সেখানেই ঈদ উদযাপন করবেন। দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। দলের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানও ঢাকায় ঈদ করবেন।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারামুক্ত হওয়ার পর থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় রয়েছেন। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হলে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। এখন বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বোন সেলিমা ইসলাম ও ভাই শামীম এস্কান্দারসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে নিয়েই ঈদ কাটাবেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে ঘুরে এসেছেন। তিনি ঈদ করবেন ঢাকায়। এছাড়া ঢাকায় ঈদ করছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ শাহজাহান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, খন্দকার মোক্তাদির আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহপ্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেনসহ বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় নেতা। ঢাকায় ঈদ করলেও অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় ঈদ উপহার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পাঠিয়েছেন।

তবে ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু নোয়াখালী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার বরিশাল, খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী লক্ষ্মীপুর, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহ, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু নাটোরের নিজ নির্বাচনি এলাকায় ঈদ করবেন।

এদিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অধিকাংশ নেতাই ঢাকায় ঈদ করছেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি বি. চৌধুরী, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির আরেক অংশের সভাপতি আব্দুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমও ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন।

ঈদে ঢাকায় থাকছেন বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারি করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো এবার কোরবানি ঈদেও বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ ঢাকায় অবস্থান করবেন। তবে ফোনে এবং ভার্চুয়াল মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন তারা। পাশাপাশি অনেকে নিজ নির্বাচনি এলাকায় পাঠিয়েছেন ঈদ উপহার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী। লকডাউন শিথিল করায় কেউ কেউ আবার ঈদ করতে যাবেন নিজ নিজ এলাকায়। ঈদের আগে নির্বাচনি এলাকা ঘুরে এসেছেন অনেকে।

সাধারণত ঈদ হচ্ছে গ্রামের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাক্ষাতের একটা বড় উপলক্ষ্য। ঈদ এলেই ঢাকার ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা গ্রামের বাড়িতে যান। আর সেই সুযোগে তৃণমূল নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নেতাদের কাছে তাদের সুখ-দুঃখ, সুবিধা-অসুবিধার কথা জানান। গত বছরের মতো এবারও টানা দুই ঈদে অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখা পাচ্ছেন না তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ করবেন রাজধানী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে। প্রতিবছর ঈদের দিন আওয়ামী লীগসহ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বিদেশি কূটনীতিক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। তবে করোনার কারণে গত বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহার দিনে প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি রাখা হয়নি। ফোনে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলে গণভবন সূত্রে জানা গেছে। এদিকে ইতোমধ্যেই অডিও বার্তায় দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মাথায় রেখে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী এবারও ঢাকায়ই ঈদ করবেন। দলটির উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং ১৪ দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় ঈদুল আজহা উদযাপন করবেন। উপদেষ্টা পরিষদের আরেক সদস্য তোফায়েল আহমেদও ঈদ করবেন রাজধানীতেই। ঈদের দিন বনানীর বাসায় কাটাবেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঈদ করবেন ঢাকায়। তবে নোয়াখালীতে নিজের নির্বাচনি এলাকার নেতাকর্মীদের খোঁজখবর রাখছেন ঢাকায় বসেই। ভয়াবহ অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার পর তিনি সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবনেই থাকছেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্লাহ, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমানও ঈদ করবেন ঢাকায়।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে মাহবুবউল আলম হানিফ নিজ জেলা কুষ্টিয়া ঘুরে এসেছেন। তিনি ঈদ করবেন ঢাকায়। তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ইউরোপ সফর করে গত রোববার দেশে ফিরেছেন। ঈদে ঢাকার মিন্টু রোডের বাসাতেই থাকছেন তিনি। আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ঈদে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর যাবেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন নিজ নির্বাচনি এলাকার মানুষের সঙ্গে ঈদ করবেন। আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন ঈদ উদযাপন করবেন ঢাকায়। সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম রোববার জামালপুরে গেছেন। সেখানে ঈদ উদযাপন শেষে তিনি ঈদের পর ঢাকায় ফিরবেন। অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেনও রোববার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী গেছেন। সেখানেই ঈদ উদযাপন করবেন। দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। দলের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানও ঢাকায় ঈদ করবেন।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারামুক্ত হওয়ার পর থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় রয়েছেন। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হলে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। এখন বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বোন সেলিমা ইসলাম ও ভাই শামীম এস্কান্দারসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে নিয়েই ঈদ কাটাবেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে ঘুরে এসেছেন। তিনি ঈদ করবেন ঢাকায়। এছাড়া ঢাকায় ঈদ করছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ শাহজাহান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, খন্দকার মোক্তাদির আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহপ্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেনসহ বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় নেতা। ঢাকায় ঈদ করলেও অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় ঈদ উপহার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পাঠিয়েছেন।

তবে ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু নোয়াখালী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার বরিশাল, খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী লক্ষ্মীপুর, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহ, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু নাটোরের নিজ নির্বাচনি এলাকায় ঈদ করবেন।

এদিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অধিকাংশ নেতাই ঢাকায় ঈদ করছেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি বি. চৌধুরী, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির আরেক অংশের সভাপতি আব্দুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমও ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন