পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সভা

এসডিজি বাস্তবায়নে অ্যাকশন প্ল্যান চূড়ান্ত

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৪ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের অ্যাকশন প্ল্যান চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ৪৩টি মন্ত্রণালয়কে লিড মন্ত্রণালয় ধরে এসডিজির লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই প্ল্যান পাস করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ অ্যাকশন প্ল্যান তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম যুগান্তরকে বলেন, এসডিজির অ্যাকশন প্ল্যানটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই এসডিজির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে চলমান সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে। কিন্তু এখন এ অ্যাকশন প্ল্যানের মাধ্যমে আরও বেশি সংগঠিত ও পরিকল্পিত হবে।

অ্যাকশন প্ল্যানে বলা হয়েছে, এসডিজি সংক্রান্ত কর্ম-পরিকল্পনা, উন্নয়ন কর্মসূচির কাঠামো বিবেচনায় প্রণীত হবে। এতে কোনো মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব খাত ভিত্তিক (স্কিম ব্যতীত) ব্যয় কিংবা মন্ত্রণালয়ের রুটিন কার্যক্রম উল্লিখিত হবে না। এছাড়া প্রতিটি মন্ত্রণালয় বিভাগের কর্ম পরিকল্পনা এমনভাবে প্রণীত হবে যেখানে শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রকল্পের নাম উল্লেখ থাকবে। এসডিজির যেসব লক্ষ্যমাত্রা সুস্পষ্ট নয় সেখানে বৈশ্বিক সূচকের বিশ্লেষণ করতে হবে। এই বৈশ্বিক সূচকের বিপরীতে মন্ত্রণালয় বিভাগগুলোর তথ্য-উপাত্ত প্রদান করবে এবং তার ভিত্তি ও টার্গেট নির্ধারণ করে প্রকল্প কর্মসূচি নির্ধারণ করবে। আরও বলা হয়েছে, যে সব প্রকল্পের নাম দেখে প্রকল্পের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বোঝা সম্ভব নয়, প্রয়োজনবোধে সেইসব প্রকল্পের ২-৩টি মূল কার্যক্রম উল্লেখ করে দেয়া যেতে পারে। লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পের মেয়াদ কত বছর হবে সেটি উল্লেখ থাকতে হবে। সেই সঙ্গে কর্মপরিকল্পনা ২০২০ সাল নাগাদ অর্থাৎ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে মন্ত্রণালয় ও বিভাগ গৃহীত প্রকল্পগুলোর নাম এবং ২০২১-৩০ সাল পর্যন্ত গৃহীতব্য প্রকল্পগুলোর থিম ধারণা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কর্মপরিকল্পনায় শুধু লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর নাম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি মন্ত্রণালয় বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোয় (এমটিবিএফ) বরাদ্দ বিবেচনায় নিতে হবে। বরাদ্দের সীমা সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ বর্ধিত ধরে অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়ন করা যাবে।

প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে লিড মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি কো-লিড ও অ্যাসোসিয়েট মন্ত্রণালয়গুলোর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পের তালিকা সংযোজন করতে হবে। প্রতিটি লিড মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তার আওতাধীন সব সংস্থা এবং সহযোগী মন্ত্রণালয় বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter