মুনীর চৌধুরী ও জাকারিয়া পদক পেলেন চারজন
jugantor
মুনীর চৌধুরী ও জাকারিয়া পদক পেলেন চারজন

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক  

২৮ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে আটকে যাওয়া গত দুই বছরের মুনীর চৌধুরী সম্মাননা ও মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মৃতিপদক ২০২০ ও ২০২১ দেওয়া হয়েছে। থিয়েটার প্রবর্তিত এ পদক প্রদান অনুষ্ঠান হয়েছে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে। ২০২০ সালের মুনীর চৌধুরী সম্মাননা দেওয়া হয়েছে অভিনেতা-নির্দেশক ও সংগঠক সারা যাকেরকে। মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মৃতিপদক পেয়েছেন দিনাজপুরের কৃতী নাট্যকার, নির্দেশক ও প্রশিক্ষক সম্বিত সাহা। ২০২১ সালের মুনীর চৌধুরী সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে অভিনেতা, নির্দেশক ও সংগঠক তারিক আনাম খানকে। জাকারিয়া স্মৃতিপদক প্রদান পেয়েছেন নাট্যমঞ্চের অভিনেত্রী জ্যোতি সিনহা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ এ সরওয়ার। সভাপতিত্ব করেন থিয়েটার সভাপতি ফেরদৌসী মজুমদার। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মুনীর চৌধুরীকে নিয়ে জাদুঘরে সেমিনার : মুনীর চৌধুরী স্মরণে জাতীয় জাদুঘরে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মুনীর চৌধুরী : জীবন দর্শন ও বাংলা ভাষা এবং বাঙালি সংস্কৃতি’ শীর্ষক সেমিনার। কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহিদ মুনীর চৌধুরীর কনিষ্ঠ সন্তান আসিফ মুনীর। অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

মূল প্রবন্ধে আসিফ মুনীর বলেন, মুনীর চৌধুরীর ৪৬ বছরের ঘটনাবহুল জীবনের প্রথম ২০ বছর ছিল প্রস্তুতিপর্ব। বাকি ২৬ বছর তিনি বহুমুখী প্রতিভার আলোকরশ্মি বিতরণ করেন। এ আলোকের ঝরনাধারায় একাধারে মুনীর চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের শিক্ষক, গবেষক, নাট্যকার, ভাষাতত্ত্ববিদ, ভাষাসৈনিক, বাংলা টাইপরাইটার কিবোর্ড প্রবর্তক, ছোট গল্পকার, অনুবাদক, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচক, কুশলী বক্তা, নাট্য নির্দেশক।

আবুল মনসুর বলেন, মুনীর চৌধুরীর অবদান নতুনদের কাছে তুলে ধরে তার আদর্শ ও দিকনির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।

মুনীর চৌধুরী ও জাকারিয়া পদক পেলেন চারজন

 সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক 
২৮ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে আটকে যাওয়া গত দুই বছরের মুনীর চৌধুরী সম্মাননা ও মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মৃতিপদক ২০২০ ও ২০২১ দেওয়া হয়েছে। থিয়েটার প্রবর্তিত এ পদক প্রদান অনুষ্ঠান হয়েছে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে। ২০২০ সালের মুনীর চৌধুরী সম্মাননা দেওয়া হয়েছে অভিনেতা-নির্দেশক ও সংগঠক সারা যাকেরকে। মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মৃতিপদক পেয়েছেন দিনাজপুরের কৃতী নাট্যকার, নির্দেশক ও প্রশিক্ষক সম্বিত সাহা। ২০২১ সালের মুনীর চৌধুরী সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে অভিনেতা, নির্দেশক ও সংগঠক তারিক আনাম খানকে। জাকারিয়া স্মৃতিপদক প্রদান পেয়েছেন নাট্যমঞ্চের অভিনেত্রী জ্যোতি সিনহা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ এ সরওয়ার। সভাপতিত্ব করেন থিয়েটার সভাপতি ফেরদৌসী মজুমদার। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মুনীর চৌধুরীকে নিয়ে জাদুঘরে সেমিনার : মুনীর চৌধুরী স্মরণে জাতীয় জাদুঘরে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মুনীর চৌধুরী : জীবন দর্শন ও বাংলা ভাষা এবং বাঙালি সংস্কৃতি’ শীর্ষক সেমিনার। কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহিদ মুনীর চৌধুরীর কনিষ্ঠ সন্তান আসিফ মুনীর। অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

মূল প্রবন্ধে আসিফ মুনীর বলেন, মুনীর চৌধুরীর ৪৬ বছরের ঘটনাবহুল জীবনের প্রথম ২০ বছর ছিল প্রস্তুতিপর্ব। বাকি ২৬ বছর তিনি বহুমুখী প্রতিভার আলোকরশ্মি বিতরণ করেন। এ আলোকের ঝরনাধারায় একাধারে মুনীর চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের শিক্ষক, গবেষক, নাট্যকার, ভাষাতত্ত্ববিদ, ভাষাসৈনিক, বাংলা টাইপরাইটার কিবোর্ড প্রবর্তক, ছোট গল্পকার, অনুবাদক, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচক, কুশলী বক্তা, নাট্য নির্দেশক।

আবুল মনসুর বলেন, মুনীর চৌধুরীর অবদান নতুনদের কাছে তুলে ধরে তার আদর্শ ও দিকনির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন