সতিনের সংসারে টাকা দিতে না চাওয়ায় গলা কেটে স্ত্রী হত্যা
jugantor
গ্রেফতারের পর ঘাতক স্বামীর স্বীকারোক্তি
সতিনের সংসারে টাকা দিতে না চাওয়ায় গলা কেটে স্ত্রী হত্যা

  গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিজের কষ্টার্জিত উপার্জন দিয়ে সতিনের সংসারে জোগান দিতে রাজি না হওয়ায় পোশাকশ্রমিক জোনাকিকে হত্যা করে রাজমিস্ত্রি সুজন। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে দায় স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দেন।

গ্রেফতার সুজনের স্বীকারোক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে জিএমপি গাছা থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন জানান, রাজমিস্ত্রি সুজন সংসারের অভাব-অনটন ঘুচাতে একজন কর্মজীবী মেয়েকে বিয়ের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী স্ত্রী ও সন্তান সন্ততির তথ্য গোপন রেখে পোশাকশ্রমিক রোজিনা আক্তার ওরফে জোনাকির সঙ্গে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। জোনাকি গাজীপুর মহানগরের গাছা অঞ্চলের তারগাছ এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। একপর্যায়ে তারা পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর তারা আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন এবং সুজন জোনাকির পুরো বেতনের টাকা নিয়ে যেতেন। এভাবে প্রায় এক বছর সংসার করার পর সুজনের প্রতারণা ফাঁস হয়।

জোনাকি পরস্পর জানতে পারেন, সুজনের স্ত্রী ও সন্তান সন্তুতি আছে এবং তার বেতনের টাকা নিয়ে আগের সংসারে ব্যয় করে। এ নিয়ে সুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের পর জোনাকি বাবা-মার কাছে চলে যান। তিনি সুজনের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। এতে সুজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে চাকু নিয়ে জোনাকির বাসায় যান। ঘটনার দিন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জোনাকিকে নিয়ে ছাদে যান। সেখানে গিয়ে তালাক না দেওয়ার জন্য জোনাকিকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু জোনাকি সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ছুরিকাঘাতে কণ্ঠনালি কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে জোনাকির মৃত্যু হয়।

গ্রেফতারের পর ঘাতক স্বামীর স্বীকারোক্তি

সতিনের সংসারে টাকা দিতে না চাওয়ায় গলা কেটে স্ত্রী হত্যা

 গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিজের কষ্টার্জিত উপার্জন দিয়ে সতিনের সংসারে জোগান দিতে রাজি না হওয়ায় পোশাকশ্রমিক জোনাকিকে হত্যা করে রাজমিস্ত্রি সুজন। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে দায় স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দেন।

গ্রেফতার সুজনের স্বীকারোক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে জিএমপি গাছা থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন জানান, রাজমিস্ত্রি সুজন সংসারের অভাব-অনটন ঘুচাতে একজন কর্মজীবী মেয়েকে বিয়ের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী স্ত্রী ও সন্তান সন্ততির তথ্য গোপন রেখে পোশাকশ্রমিক রোজিনা আক্তার ওরফে জোনাকির সঙ্গে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। জোনাকি গাজীপুর মহানগরের গাছা অঞ্চলের তারগাছ এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। একপর্যায়ে তারা পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর তারা আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন এবং সুজন জোনাকির পুরো বেতনের টাকা নিয়ে যেতেন। এভাবে প্রায় এক বছর সংসার করার পর সুজনের প্রতারণা ফাঁস হয়।

জোনাকি পরস্পর জানতে পারেন, সুজনের স্ত্রী ও সন্তান সন্তুতি আছে এবং তার বেতনের টাকা নিয়ে আগের সংসারে ব্যয় করে। এ নিয়ে সুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের পর জোনাকি বাবা-মার কাছে চলে যান। তিনি সুজনের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। এতে সুজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে চাকু নিয়ে জোনাকির বাসায় যান। ঘটনার দিন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জোনাকিকে নিয়ে ছাদে যান। সেখানে গিয়ে তালাক না দেওয়ার জন্য জোনাকিকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু জোনাকি সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ছুরিকাঘাতে কণ্ঠনালি কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে জোনাকির মৃত্যু হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন