মাউশিতে নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্তে কমিটি
jugantor
মাউশিতে নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্তে কমিটি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করা হবে। সংস্থাটির প্রশাসন শাখার অধীনে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পদের পরীক্ষা হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ‘ক্যাশিয়ার ও স্টোরকিপার’ পদের লিখিত পরীক্ষা আছে। কিন্তু এরই মধ্যে বিভিন্ন সরকারি কলেজে দশটি পদে প্রদর্শক নিয়োগে কয়েক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।

বৃহস্পতিবার জারি করা এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, ‘এ অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর আগামী ৭ থেকে ১২ ডিসেম্বর মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী এবং উপ-পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আনীত নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করবেন। এ অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক টুটুল কুমার নাগ, ড. এনামুল হক, সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মনিরুজ্জামান ও অডিট অফিসার সুলতান আহম্মদ তদন্ত কাজে সহায়তা করবেন।’ সংশ্লিষ্টরা জানান, যেসব পদের নিয়োগ কার্যক্রম চলছে তার প্রতিটি বিষয়েই মূলত কম-বেশি অভিযোগ আছে। একটি শ্রেণি তৈরি হয়েছে যারা নিয়োগ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অর্থ হাতানোর কাজ সহজ করতে মাউশির কর্মকর্তাদের নাম বলা হচ্ছে। যেসব নাম আলোচিত হচ্ছে তার মধ্যে উল্লিখিত দুটি ছাড়া আরও চার-পাঁচজনের নামও আসছে। এর মধ্যে মাউশির কলেজ, প্রশাসন এবং মাধ্যমিক শাখায় কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা আছেন।

মাউশিতে নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্তে কমিটি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করা হবে। সংস্থাটির প্রশাসন শাখার অধীনে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পদের পরীক্ষা হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ‘ক্যাশিয়ার ও স্টোরকিপার’ পদের লিখিত পরীক্ষা আছে। কিন্তু এরই মধ্যে বিভিন্ন সরকারি কলেজে দশটি পদে প্রদর্শক নিয়োগে কয়েক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।

বৃহস্পতিবার জারি করা এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, ‘এ অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর আগামী ৭ থেকে ১২ ডিসেম্বর মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী এবং উপ-পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আনীত নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করবেন। এ অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক টুটুল কুমার নাগ, ড. এনামুল হক, সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মনিরুজ্জামান ও অডিট অফিসার সুলতান আহম্মদ তদন্ত কাজে সহায়তা করবেন।’ সংশ্লিষ্টরা জানান, যেসব পদের নিয়োগ কার্যক্রম চলছে তার প্রতিটি বিষয়েই মূলত কম-বেশি অভিযোগ আছে। একটি শ্রেণি তৈরি হয়েছে যারা নিয়োগ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অর্থ হাতানোর কাজ সহজ করতে মাউশির কর্মকর্তাদের নাম বলা হচ্ছে। যেসব নাম আলোচিত হচ্ছে তার মধ্যে উল্লিখিত দুটি ছাড়া আরও চার-পাঁচজনের নামও আসছে। এর মধ্যে মাউশির কলেজ, প্রশাসন এবং মাধ্যমিক শাখায় কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা আছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন