হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পলায়ন
jugantor
হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পলায়ন
ডেমরায় খুন পরকীয়ায়

  ডেমরা (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর ডেমরায় চাম্পা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে স্বামী। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশ মো. মামুন (২৪) নামে ওই স্বামীকে গ্রেফতার করেছে। মামুন-চম্পা দম্পতি একটি গার্মেন্টে কাজ করত।

ডেমরা থানা পুলিশ রোববার মামুনকে আদালতে পাঠিয়েছে। শনিবার নাটোরের সিংড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় চম্পার বাবা হযরত সরদার থানায় মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বুধবার রাতে খুন হয় চাম্পা। তারা ডেমরার পূর্ব বক্সনগর মাইনুদ্দীনের বাড়িতে ভাড়া থাকত। মামুন নাটোরের সিংড়া থানার লাল বানু বেওয়ানা গ্রামের মৃত নূর ইসলামের ছেলে। চম্পা নওগাঁর আত্রাই থানার আম চন্দ্রবাটি গ্রামের মেয়ে।

মামলার তদন্ত বর্মকর্তা ডেমরা থানার এসআই মো. ইকবাল জানান, চাম্পা ৭-৮ বছর পরিবারের সঙ্গে থেকে গাজীপুরে একটি কারখানায় কাজ করত। ৫ মাস আগে মামুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এরপর তারা ডেমরায় বসবাস শুরু করে। দুজনেই গার্মেন্টে কাজ নেয়। এ সময় চম্পা অন্য একটি ছেলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বুধবার মামুন চম্পার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে চম্পাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন।

১ ডিসেম্বর রাতে চম্পাকে অচেতন অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যায় মামুন। সেখান থেকে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা আনার কথা বলে মামুন পালিয়ে যায়।

হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পলায়ন

ডেমরায় খুন পরকীয়ায়
 ডেমরা (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর ডেমরায় চাম্পা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে স্বামী। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশ মো. মামুন (২৪) নামে ওই স্বামীকে গ্রেফতার করেছে। মামুন-চম্পা দম্পতি একটি গার্মেন্টে কাজ করত।

ডেমরা থানা পুলিশ রোববার মামুনকে আদালতে পাঠিয়েছে। শনিবার নাটোরের সিংড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় চম্পার বাবা হযরত সরদার থানায় মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বুধবার রাতে খুন হয় চাম্পা। তারা ডেমরার পূর্ব বক্সনগর মাইনুদ্দীনের বাড়িতে ভাড়া থাকত। মামুন নাটোরের সিংড়া থানার লাল বানু বেওয়ানা গ্রামের মৃত নূর ইসলামের ছেলে। চম্পা নওগাঁর আত্রাই থানার আম চন্দ্রবাটি গ্রামের মেয়ে।

মামলার তদন্ত বর্মকর্তা ডেমরা থানার এসআই মো. ইকবাল জানান, চাম্পা ৭-৮ বছর পরিবারের সঙ্গে থেকে গাজীপুরে একটি কারখানায় কাজ করত। ৫ মাস আগে মামুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এরপর তারা ডেমরায় বসবাস শুরু করে। দুজনেই গার্মেন্টে কাজ নেয়। এ সময় চম্পা অন্য একটি ছেলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বুধবার মামুন চম্পার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে চম্পাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন।

১ ডিসেম্বর রাতে চম্পাকে অচেতন অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যায় মামুন। সেখান থেকে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা আনার কথা বলে মামুন পালিয়ে যায়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন