বিএনপি চ্যাম্পিয়ন গণমানুষের অধিকার হরণে : সেতুমন্ত্রী
jugantor
বিএনপি চ্যাম্পিয়ন গণমানুষের অধিকার হরণে : সেতুমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণমানুষের অধিকার হরণে চ্যাম্পিয়ন বিএনপি। তারাই আজ মানবাধিকারের কথা বলছে। বিএনপি নেতাদের কথা এবং কাজে মিল নেই। তারা জনমতের কথা বলেন, অথচ তারা জনমত যাচাইয়ের সাহস রাখেন না-নির্বাচনে অংশগ্রহণে ভয় পান।

গণমাধ্যমে বুধবার পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতারা লাগামহীন মিথ্যাচার, অশালীন বক্তব্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ী হয়েও বিএনপি মহাসচিব সংসদে যাননি, যা জনমতের সঙ্গে স্পষ্ট প্রতারণা। মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তারা গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে অন্তরে স্বৈরতন্ত্র ও দেশবিরোধী আদর্শকে ধারণ করে। গণমানুষের অধিকার হরণে চ্যাম্পিয়ন বিএনপি আজ মানবাধিকারের কথা বলছে, অথচ তারাই মানবাধিকার হরণে এদেশে ন্যক্কারজনক ইতিহাসের প্রবর্তক। ‘বিএনপি নেতাদের অসংলগ্ন বক্তব্য, মিথ্যাচার-অপপ্রচার ও অপরাজনীতির’ বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ নাকি ১৯৭১ সালের পর জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া শুরু করে, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য-উদ্ভট আবিষ্কার ছাড়া আর কিছুই নয়। আওয়ামী লীগ মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির যা কিছু মহৎ অর্জন, তা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে।

তিনি বলেন, অপরদিকে যে গোষ্ঠী মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে এদেশে রাজনীতি শুরু করেছিল, স্বাধীন বাঙালি জাতিকে স্বৈরতন্ত্রের নাগপাশে আবদ্ধ করে গণতন্ত্র হরণের মাধ্যমে মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল-চিহ্নিত সেই অশুভ শক্তিই হলো বিএনপি। তিনি বলেন, হতাশা আড়াল করতে তারা মিডিয়ায় নানা কাল্পনিক কথা বলছেন। কিন্তু এসব গালগল্প জনগণের হৃদয়তল স্পর্শ করে না। আওয়ামী লীগ এ দেশের জনগণের প্রাণের সংগঠন-জনগণই আওয়ামী লীগের মূল শক্তি। আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের পূর্ণ সমর্থন, আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশের জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটেছে-ধারাবাহিকভাবে জনগণের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে। অথচ বিএনপি নেতারা জনগণের ওপর নিপীড়নের ভিত্তিহীন কল্পকথা বলে চলেছেন। তিনি বলেন, বিএনপির এসব বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম ধ্বনির মতো। এদেশের জনগণ ভালোভাবেই জানে-বিএনপির ইতিহাস হত্যা, ষড়যন্ত্র আর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিপীড়নের ইতিহাস। বন্দুক ও বুটের তলায় জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী প্রত্যেকটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের শত্রু-গণশত্রুতে পরিণত হওয়ায় তারা স্বৈরাচারের প্রতিভূ। ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে তারা প্রতিহিংসার আগুনে ভস্মীভূত করেছিল ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ। ত্রিশ লাখ শহিদের রক্তে রঞ্জিত এই পবিত্র ভূমিকে হত্যা-ধর্ষণ, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, অত্যাচার-নির্যাতন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছিল।

বিএনপি চ্যাম্পিয়ন গণমানুষের অধিকার হরণে : সেতুমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণমানুষের অধিকার হরণে চ্যাম্পিয়ন বিএনপি। তারাই আজ মানবাধিকারের কথা বলছে। বিএনপি নেতাদের কথা এবং কাজে মিল নেই। তারা জনমতের কথা বলেন, অথচ তারা জনমত যাচাইয়ের সাহস রাখেন না-নির্বাচনে অংশগ্রহণে ভয় পান।

গণমাধ্যমে বুধবার পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতারা লাগামহীন মিথ্যাচার, অশালীন বক্তব্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ী হয়েও বিএনপি মহাসচিব সংসদে যাননি, যা জনমতের সঙ্গে স্পষ্ট প্রতারণা। মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তারা গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে অন্তরে স্বৈরতন্ত্র ও দেশবিরোধী আদর্শকে ধারণ করে। গণমানুষের অধিকার হরণে চ্যাম্পিয়ন বিএনপি আজ মানবাধিকারের কথা বলছে, অথচ তারাই মানবাধিকার হরণে এদেশে ন্যক্কারজনক ইতিহাসের প্রবর্তক। ‘বিএনপি নেতাদের অসংলগ্ন বক্তব্য, মিথ্যাচার-অপপ্রচার ও অপরাজনীতির’ বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ নাকি ১৯৭১ সালের পর জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া শুরু করে, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য-উদ্ভট আবিষ্কার ছাড়া আর কিছুই নয়। আওয়ামী লীগ মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির যা কিছু মহৎ অর্জন, তা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে।

তিনি বলেন, অপরদিকে যে গোষ্ঠী মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে এদেশে রাজনীতি শুরু করেছিল, স্বাধীন বাঙালি জাতিকে স্বৈরতন্ত্রের নাগপাশে আবদ্ধ করে গণতন্ত্র হরণের মাধ্যমে মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল-চিহ্নিত সেই অশুভ শক্তিই হলো বিএনপি। তিনি বলেন, হতাশা আড়াল করতে তারা মিডিয়ায় নানা কাল্পনিক কথা বলছেন। কিন্তু এসব গালগল্প জনগণের হৃদয়তল স্পর্শ করে না। আওয়ামী লীগ এ দেশের জনগণের প্রাণের সংগঠন-জনগণই আওয়ামী লীগের মূল শক্তি। আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের পূর্ণ সমর্থন, আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশের জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটেছে-ধারাবাহিকভাবে জনগণের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে। অথচ বিএনপি নেতারা জনগণের ওপর নিপীড়নের ভিত্তিহীন কল্পকথা বলে চলেছেন। তিনি বলেন, বিএনপির এসব বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম ধ্বনির মতো। এদেশের জনগণ ভালোভাবেই জানে-বিএনপির ইতিহাস হত্যা, ষড়যন্ত্র আর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিপীড়নের ইতিহাস। বন্দুক ও বুটের তলায় জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী প্রত্যেকটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের শত্রু-গণশত্রুতে পরিণত হওয়ায় তারা স্বৈরাচারের প্রতিভূ। ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে তারা প্রতিহিংসার আগুনে ভস্মীভূত করেছিল ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ। ত্রিশ লাখ শহিদের রক্তে রঞ্জিত এই পবিত্র ভূমিকে হত্যা-ধর্ষণ, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, অত্যাচার-নির্যাতন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন