চিরনিদ্রায় শায়িত মাসুদ রানার স্রষ্টা আনোয়ার হোসেন
jugantor
চিরনিদ্রায় শায়িত মাসুদ রানার স্রষ্টা আনোয়ার হোসেন

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক  

২১ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাসুদ রানার স্রষ্টা এবং সেবা প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা কাজী আনোয়ার হোসেন চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন। রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মা সাজেদা খাতুনের কবরে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে তার লাশ দাফন করা হয়। এর আগে বাদ জোহর সেগুনবাগিচার কাঁচাবাজার জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন পাঠক, শুভানুধ্যায়ীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী। বুধবার বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে মারা যান কাজী আনোয়ার হোসেন। এরপর তার লাশ ফ্রিজিং ভ্যানে কাকরাইলের কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে রাখা হয়। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয় সেগুনবাগিচার বাসভবনে। শেষবারের মতো তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসী। সেখানে আসেন তার শ্যালিকা সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। সেগুনবাগিচার বাসভবনে ছেলে কাজী শাহনূর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমার বাবা একজন যোদ্ধা মানুষ ছিলেন। সবসময় সাহস নিয়ে বেঁচেছেন। তিনি পরিবারকে নিয়ে থাকতে পছন্দ করতেন।

চিরনিদ্রায় শায়িত মাসুদ রানার স্রষ্টা আনোয়ার হোসেন

 সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক 
২১ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাসুদ রানার স্রষ্টা এবং সেবা প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা কাজী আনোয়ার হোসেন চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন। রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মা সাজেদা খাতুনের কবরে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে তার লাশ দাফন করা হয়। এর আগে বাদ জোহর সেগুনবাগিচার কাঁচাবাজার জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন পাঠক, শুভানুধ্যায়ীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী। বুধবার বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে মারা যান কাজী আনোয়ার হোসেন। এরপর তার লাশ ফ্রিজিং ভ্যানে কাকরাইলের কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে রাখা হয়। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয় সেগুনবাগিচার বাসভবনে। শেষবারের মতো তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসী। সেখানে আসেন তার শ্যালিকা সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। সেগুনবাগিচার বাসভবনে ছেলে কাজী শাহনূর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমার বাবা একজন যোদ্ধা মানুষ ছিলেন। সবসময় সাহস নিয়ে বেঁচেছেন। তিনি পরিবারকে নিয়ে থাকতে পছন্দ করতেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন