দৌলতখানে জমি নিয়ে বিরোধে পিটিয়ে হত্যা
jugantor
দৌলতখানে জমি নিয়ে বিরোধে পিটিয়ে হত্যা

  দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলার দৌলতখানে জমিজমার বিরোধ কেন্দ্র করে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনাসদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আবদুল খালেক (৬৫) নামে ওই সেনাসদস্য উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল মান্নান ওরফে মুনাপ পাটোয়ারীর ছেলে।

আবদুল খালেকের স্ত্রী নাসরিন বেগম জানান, তারা বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় তার স্বামী আবদুল খালেক, নাতি তোহাসহ (৪) ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। রিকশা চেপে দৌলতখান পৌর বাজারের সেলিম চত্বরে পৌঁছলে প্রতিপক্ষ একই বাড়ির মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে তার স্ত্রী নুরজাহান, ছেলে স্বপন ও ভাগ্নে রফিকসহ ১৫-২০ জন মিলে আবদুল খালেকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা আবদুল খালেকের গলা চিপে ধরে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। হামলাকারীদের একজন আবদুল খালেকের পেটে প্রচণ্ড বেগে লাথি মারলে আবদুল খালেক অসুস্থ হয়ে পড়েন। হামলাকারীরা তাকে হাসপাতালে নিতেও বাধা দেয়। পরে বাড়ি ফিরে গেলে আবদুল খালেক অজ্ঞান হয়ে পড়েন। অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হামলাকারী মোফাজ্জল ও তার পরিবারের সদস্যদের বসতঘর তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা জানান, মোফাজ্জল আবদুল খালেকের কাছে যে জমি দাবি করছেন তার কোনো দালিলিক ভিত্তি নেই। এ ব্যাপারে একাধিকবার সালিশ বৈঠক করে মোফাজ্জলের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে রফিক নামে একজনকে জিজ্ঞাসাদের জন্য আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দৌলতখানে জমি নিয়ে বিরোধে পিটিয়ে হত্যা

 দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলার দৌলতখানে জমিজমার বিরোধ কেন্দ্র করে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনাসদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আবদুল খালেক (৬৫) নামে ওই সেনাসদস্য উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল মান্নান ওরফে মুনাপ পাটোয়ারীর ছেলে।

আবদুল খালেকের স্ত্রী নাসরিন বেগম জানান, তারা বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় তার স্বামী আবদুল খালেক, নাতি তোহাসহ (৪) ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। রিকশা চেপে দৌলতখান পৌর বাজারের সেলিম চত্বরে পৌঁছলে প্রতিপক্ষ একই বাড়ির মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে তার স্ত্রী নুরজাহান, ছেলে স্বপন ও ভাগ্নে রফিকসহ ১৫-২০ জন মিলে আবদুল খালেকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা আবদুল খালেকের গলা চিপে ধরে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। হামলাকারীদের একজন আবদুল খালেকের পেটে প্রচণ্ড বেগে লাথি মারলে আবদুল খালেক অসুস্থ হয়ে পড়েন। হামলাকারীরা তাকে হাসপাতালে নিতেও বাধা দেয়। পরে বাড়ি ফিরে গেলে আবদুল খালেক অজ্ঞান হয়ে পড়েন। অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হামলাকারী মোফাজ্জল ও তার পরিবারের সদস্যদের বসতঘর তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা জানান, মোফাজ্জল আবদুল খালেকের কাছে যে জমি দাবি করছেন তার কোনো দালিলিক ভিত্তি নেই। এ ব্যাপারে একাধিকবার সালিশ বৈঠক করে মোফাজ্জলের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে রফিক নামে একজনকে জিজ্ঞাসাদের জন্য আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন