দক্ষিণখানে সৎ বাবার হাতে শিশু খুন
jugantor
দক্ষিণখানে সৎ বাবার হাতে শিশু খুন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৪ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রেমের সম্পর্কের পর ছয় মাস আগে তাসলিমা জাহান ইমাকে বিয়ে করেন রেডিসন হোটেলের শেফ আজহারুল ইসলাম। নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো থাকলেও তিনি স্ত্রীর আগের পক্ষের সন্তান নামিরাকে মেনে নিতে পারছিলেন না। তিন বছর বয়সি শিশুটিকে তিনি প্রায়ই মারধর করতেন। বৃহস্পতিবার দুপুরেও তেমনি চড়-থাপ্পড় দেন। রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনার বাসায় নির্যাতনে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়।

দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান জানান, শুরু থেকে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসাবে দাবি করে আসছিল ওই দম্পতি। শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় পুলিশ স্বামী-স্ত্রীকে থানায় নিয়ে জেরা করে। একপর্যায়ে তারা মূল ঘটনা স্বীকার করেন। ইমা সন্তান হারানোর শোক চাপা দিয়ে স্বামীকে আইনি ঝামেলার বাইরে রাখতে চাইছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে সম্মত হয়েছেন।

দক্ষিণখান থানা পুলিশ জানায়, আশকোনার আইডিয়াল একাডেমির পাশের একটি বাসায় থাকে ওই দম্পতি। শিশুটির মা ইমাও রেডিসন হোটেলের অন্য শাখায় কাজ করেন। ঘটনার সময় তিনি উত্তরায় ছিলেন। বাসায় ছিলেন সৎবাবা আজহারুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি নামিরাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। বিকাল ৪টার দিকে বাসায় ফিরে ইমা সন্তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। প্রথমে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

দক্ষিণখান থানার এসআই রেজিয়া খাতুন জানান, হত্যায় অভিযুক্ত সৎবাবা আজহারুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, শিশুটিকে তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না। এ নিয়ে মানসিক অশান্তিতে ছিলেন। তাই ক্ষোভ থেকে শিশুটিকে মারধর করেন। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। আজহারুলকে আজ আদালতে হাজির করা হবে।

দক্ষিণখানে সৎ বাবার হাতে শিশু খুন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৪ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রেমের সম্পর্কের পর ছয় মাস আগে তাসলিমা জাহান ইমাকে বিয়ে করেন রেডিসন হোটেলের শেফ আজহারুল ইসলাম। নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো থাকলেও তিনি স্ত্রীর আগের পক্ষের সন্তান নামিরাকে মেনে নিতে পারছিলেন না। তিন বছর বয়সি শিশুটিকে তিনি প্রায়ই মারধর করতেন। বৃহস্পতিবার দুপুরেও তেমনি চড়-থাপ্পড় দেন। রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনার বাসায় নির্যাতনে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়।

দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান জানান, শুরু থেকে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসাবে দাবি করে আসছিল ওই দম্পতি। শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় পুলিশ স্বামী-স্ত্রীকে থানায় নিয়ে জেরা করে। একপর্যায়ে তারা মূল ঘটনা স্বীকার করেন। ইমা সন্তান হারানোর শোক চাপা দিয়ে স্বামীকে আইনি ঝামেলার বাইরে রাখতে চাইছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে সম্মত হয়েছেন।

দক্ষিণখান থানা পুলিশ জানায়, আশকোনার আইডিয়াল একাডেমির পাশের একটি বাসায় থাকে ওই দম্পতি। শিশুটির মা ইমাও রেডিসন হোটেলের অন্য শাখায় কাজ করেন। ঘটনার সময় তিনি উত্তরায় ছিলেন। বাসায় ছিলেন সৎবাবা আজহারুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি নামিরাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। বিকাল ৪টার দিকে বাসায় ফিরে ইমা সন্তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। প্রথমে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

দক্ষিণখান থানার এসআই রেজিয়া খাতুন জানান, হত্যায় অভিযুক্ত সৎবাবা আজহারুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, শিশুটিকে তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না। এ নিয়ে মানসিক অশান্তিতে ছিলেন। তাই ক্ষোভ থেকে শিশুটিকে মারধর করেন। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। আজহারুলকে আজ আদালতে হাজির করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন