মহাকাশ বিজ্ঞানী এএম চৌধুরী আর নেই
jugantor
মহাকাশ বিজ্ঞানী এএম চৌধুরী আর নেই

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের অন্যতম মহাকাশ বিজ্ঞানী ও দুর্যোগ পূর্বাভাস বিশেষজ্ঞ ড. এএম চৌধুরী (৮১) আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। আজ শনিবার বাদ আসর ধানমন্ডি ১২/এ রোডের তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা হবে। বাদ মাগরিব মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার লাশ সেখানেই দাফন করা হবে।

বিশিষ্ট এ বিজ্ঞানী বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের এক সময়কার চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি রোজ প্যাটেল থিওরির প্রবক্তা। ৭০-এর দশক থেকে তার যুগান্তকারী মডেলগুলোর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের ভবিষ্যদ্বাণীতে মূল অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ পান। এছাড়া বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করায় নাসা গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার অর্জন করেন। ড. এএম চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তখনকার রাজা কালী নারায়ণ বৃত্তির অধিকারী ছিলেন। নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক আব্দুস সালামের সঙ্গে কাজ করেছেন।

গাণিতিক পদ্ধতিতে দুর্যোগের পূর্বাভাস নিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন।

১৯৪০ সালে হবিগঞ্জ জেলার দিনারপুরের কায়স্তর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিত বিষয়ে এমএসসি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৬ সালে মহাকাশ বিজ্ঞানে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ও ১৯৬৯ সালে স্পেস ফিজিক্সে পিএইচডি অর্জন করেন।

তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে আইসিটি ও এটুআই পরিবারসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী।

মহাকাশ বিজ্ঞানী এএম চৌধুরী আর নেই

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের অন্যতম মহাকাশ বিজ্ঞানী ও দুর্যোগ পূর্বাভাস বিশেষজ্ঞ ড. এএম চৌধুরী (৮১) আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। আজ শনিবার বাদ আসর ধানমন্ডি ১২/এ রোডের তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা হবে। বাদ মাগরিব মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার লাশ সেখানেই দাফন করা হবে।

বিশিষ্ট এ বিজ্ঞানী বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের এক সময়কার চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি রোজ প্যাটেল থিওরির প্রবক্তা। ৭০-এর দশক থেকে তার যুগান্তকারী মডেলগুলোর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের ভবিষ্যদ্বাণীতে মূল অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ পান। এছাড়া বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করায় নাসা গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার অর্জন করেন। ড. এএম চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তখনকার রাজা কালী নারায়ণ বৃত্তির অধিকারী ছিলেন। নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক আব্দুস সালামের সঙ্গে কাজ করেছেন।

গাণিতিক পদ্ধতিতে দুর্যোগের পূর্বাভাস নিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন।

১৯৪০ সালে হবিগঞ্জ জেলার দিনারপুরের কায়স্তর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিত বিষয়ে এমএসসি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৬ সালে মহাকাশ বিজ্ঞানে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ও ১৯৬৯ সালে স্পেস ফিজিক্সে পিএইচডি অর্জন করেন।

তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে আইসিটি ও এটুআই পরিবারসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন