বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলের পুনর্খনন কাজ শুরু
jugantor
বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলের পুনর্খনন কাজ শুরু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩০ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খাল-নদী সংস্কারে কারও ব্যক্তিগত ক্ষতি করা সরকারের উদ্দেশ্য নয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মন্ত্রী বলেন, এসব খাল-নদী দখলের মাধ্যমে যারা অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছেন আমাদের কার্যক্রমে তারা মনোক্ষুণ্ন হতেই পারেন। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জানানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে সবার উপকার হবে। ঢাকা শহরের অবস্থার পরিবর্তন হবে। বুধবার নগরীর শহীদ নগর এলাকায় বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলের পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহর বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নগরী। এ নগরীকে আমাদের গড়তে হবে। এর পরিবেশ ঠিক করতে হবে আমাদের। ঢাকা শহরকে সুন্দর করার মাধ্যেমেই আমাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে পুরো বাংলাদেশে। তিনি বলেন, ঢাকাকে একটি উন্নত নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে খাল-নদী হতে অবৈধ দখলমুক্তি ও সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা শহরকে সুন্দর করে গড়ে তোলার অনেক সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, আমাদের খাল এবং নদীগুলোকে সংস্কার করা। সেজন্য কাজ শুরু হয়েছে। মেয়ররা ঢাকা শহরকে একটি উন্নত নগরী হিসাবে রূপান্তরিত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, সিএস ম্যাপ অনুযায়ী আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনর্খনন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলের ২ দশমিক ৭ কিলোমিটার অংশের পুনর্খনন কার্যক্রম নেওয়া হবে এবং আমরা এর সঙ্গে সঙ্গে সীমানাটা নির্ধারণ করব। আমরা সিএস মানচিত্র (ম্যাপ) দেখে পরিপূর্ণভাবে আদি বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ করব। তারপর সীমানা বেষ্টনী দেব এবং এই খনন কার্যক্রম আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনর্খননের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন। সেই অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে সাড়ে ২১ কোটি বরাদ্দ দিয়ে আমরা এই কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী অর্থবছরে আরও বেশি বরাদ্দ রাখা হবে এবং পরিপূর্ণভাবে যেন খনন করা যায় সে কার্যক্রম গ্রহণ করব আমরা। তবে এটা আনন্দের বিষয় যে, আমরা কাজটি শুরু করতে পেরেছি। আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল নিয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে জানিয়ে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, এখানে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করব। আপনারা জানেন, পুরো কামরাঙ্গীরচর নিয়ে মহাপরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সুতরাং আদি বুড়িগঙ্গা, কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, হাজারীবাগ, চকবাজার ও পুরান ঢাকা ঘিরে কীভাবে একটি নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়, কীভাবে নদীর প্রবাহ ও নদী পুনরুদ্ধার করে ঢাকাবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দেওয়া যায়, এসব নিয়ে আমরা কাজ অব্যাহত রেখেছি।

বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলের পুনর্খনন কাজ শুরু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩০ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খাল-নদী সংস্কারে কারও ব্যক্তিগত ক্ষতি করা সরকারের উদ্দেশ্য নয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মন্ত্রী বলেন, এসব খাল-নদী দখলের মাধ্যমে যারা অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছেন আমাদের কার্যক্রমে তারা মনোক্ষুণ্ন হতেই পারেন। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জানানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে সবার উপকার হবে। ঢাকা শহরের অবস্থার পরিবর্তন হবে। বুধবার নগরীর শহীদ নগর এলাকায় বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলের পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহর বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নগরী। এ নগরীকে আমাদের গড়তে হবে। এর পরিবেশ ঠিক করতে হবে আমাদের। ঢাকা শহরকে সুন্দর করার মাধ্যেমেই আমাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে পুরো বাংলাদেশে। তিনি বলেন, ঢাকাকে একটি উন্নত নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে খাল-নদী হতে অবৈধ দখলমুক্তি ও সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা শহরকে সুন্দর করে গড়ে তোলার অনেক সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, আমাদের খাল এবং নদীগুলোকে সংস্কার করা। সেজন্য কাজ শুরু হয়েছে। মেয়ররা ঢাকা শহরকে একটি উন্নত নগরী হিসাবে রূপান্তরিত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, সিএস ম্যাপ অনুযায়ী আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনর্খনন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলের ২ দশমিক ৭ কিলোমিটার অংশের পুনর্খনন কার্যক্রম নেওয়া হবে এবং আমরা এর সঙ্গে সঙ্গে সীমানাটা নির্ধারণ করব। আমরা সিএস মানচিত্র (ম্যাপ) দেখে পরিপূর্ণভাবে আদি বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ করব। তারপর সীমানা বেষ্টনী দেব এবং এই খনন কার্যক্রম আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনর্খননের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন। সেই অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে সাড়ে ২১ কোটি বরাদ্দ দিয়ে আমরা এই কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী অর্থবছরে আরও বেশি বরাদ্দ রাখা হবে এবং পরিপূর্ণভাবে যেন খনন করা যায় সে কার্যক্রম গ্রহণ করব আমরা। তবে এটা আনন্দের বিষয় যে, আমরা কাজটি শুরু করতে পেরেছি। আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল নিয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে জানিয়ে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, এখানে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করব। আপনারা জানেন, পুরো কামরাঙ্গীরচর নিয়ে মহাপরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সুতরাং আদি বুড়িগঙ্গা, কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, হাজারীবাগ, চকবাজার ও পুরান ঢাকা ঘিরে কীভাবে একটি নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়, কীভাবে নদীর প্রবাহ ও নদী পুনরুদ্ধার করে ঢাকাবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দেওয়া যায়, এসব নিয়ে আমরা কাজ অব্যাহত রেখেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন