বাংলাদেশ সংকট পরিস্থিতির মধ্যে নেই : আইএমএফ
jugantor
বাংলাদেশ সংকট পরিস্থিতির মধ্যে নেই : আইএমএফ
বাংলাদেশের ঋণখেলাপির পথে যাওয়ার ঝুঁকি কম -রাহুল আনন্দ

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের ডিভিশন চিফ রাহুল আনন্দ বলেছেন, বাংলাদেশ কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে নেই। দেশটি বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে ‘এ অঞ্চলের অন্য দেশের তুলনায় ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।’

মঙ্গলবার এক অনলাইন সভায় বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেন আইএমএফের এ কর্মকর্তা। তিনি জানান, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ তুলনামূলক অল্প, যা জিডিপির ১৪ শতাংশের মতো।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ঋণখেলাপির পথে যাওয়ার ঝুঁকি কম। এটির পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কা থেকে বেশ আলাদা।’ আইএমএফের কাছে বাংলাদেশ সরকারের ঋণ আবেদনের প্রসঙ্গে রাহুল আনন্দ বলেন, অনুরোধটি ‘স্বতঃপ্রণোদিত’।

‘বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আইএমএফ প্রস্তুত, এবং তহবিল বিষয়ে নিয়মমাফিক নীতিমালা ও প্রক্রিয়া অনুসারে আইএমএফের কর্মকর্তারা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রোগ্রাম ডিজাইন বিষয়ে আলোচনা করবেন,’ বাংলাদেশ সরকারের ঋণ অনুরোধের পর জানিয়েছিলেন আইএমএফের একজন মুখপাত্র।

রিজার্ভের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সম্প্রতি কয়েকদফা মুদ্রার অবমূল্যায়নের মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে রাহুলের মন্তব্য, টাকার অবমূল্যায়ন ‘তাদের অন্য দেশে দেখা পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনীয় নয়’।

যদিও বাংলাদেশের রিজার্ভ কমে এসেছে, তবে রাহুল জানিয়েছেন বর্তমান অর্থ দিয়ে দেশের চার থেকে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

বাংলাদেশ সংকট পরিস্থিতির মধ্যে নেই : আইএমএফ

বাংলাদেশের ঋণখেলাপির পথে যাওয়ার ঝুঁকি কম -রাহুল আনন্দ
 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের ডিভিশন চিফ রাহুল আনন্দ বলেছেন, বাংলাদেশ কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে নেই। দেশটি বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে ‘এ অঞ্চলের অন্য দেশের তুলনায় ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।’

মঙ্গলবার এক অনলাইন সভায় বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেন আইএমএফের এ কর্মকর্তা। তিনি জানান, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ তুলনামূলক অল্প, যা জিডিপির ১৪ শতাংশের মতো।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ঋণখেলাপির পথে যাওয়ার ঝুঁকি কম। এটির পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কা থেকে বেশ আলাদা।’ আইএমএফের কাছে বাংলাদেশ সরকারের ঋণ আবেদনের প্রসঙ্গে রাহুল আনন্দ বলেন, অনুরোধটি ‘স্বতঃপ্রণোদিত’।

‘বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আইএমএফ প্রস্তুত, এবং তহবিল বিষয়ে নিয়মমাফিক নীতিমালা ও প্রক্রিয়া অনুসারে আইএমএফের কর্মকর্তারা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রোগ্রাম ডিজাইন বিষয়ে আলোচনা করবেন,’ বাংলাদেশ সরকারের ঋণ অনুরোধের পর জানিয়েছিলেন আইএমএফের একজন মুখপাত্র।

রিজার্ভের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সম্প্রতি কয়েকদফা মুদ্রার অবমূল্যায়নের মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে রাহুলের মন্তব্য, টাকার অবমূল্যায়ন ‘তাদের অন্য দেশে দেখা পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনীয় নয়’।

যদিও বাংলাদেশের রিজার্ভ কমে এসেছে, তবে রাহুল জানিয়েছেন বর্তমান অর্থ দিয়ে দেশের চার থেকে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন