গুম ও সাদা পোশাকে গ্রেফতার মুক্তির দাবি
jugantor
ঢাবিতে ছাত্র অধিকারের সমাবেশ
গুম ও সাদা পোশাকে গ্রেফতার মুক্তির দাবি

  ঢাবি প্রতিনিধি  

১৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গুম ও সাদা পোশাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ এবং সব রাজবন্দির মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বৃহস্পতিবার বিকালে ‘জনতার সমাবেশ ব্যানারে’ আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশের সাথে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিখ্যাত আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল হক। এ ছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনসহ কয়েকটি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে সমাবেশের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন। সমাবেশে গুম ও সাদা পোশাকে গ্রেফতার শিক্ষার্থীরা তাদের গুম হওয়াকালীন নির্মম অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সমাবেশ শেষে গুমতন্ত্র নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক, আয়নাঘরের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও, গুম খুনের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও স্লোগানে মুখরিত একটি মিছিল রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমার অত্যাচার ছিল আধুনিক কায়দায়। ২০০০ পাওয়ারের বাল্ব আমার ২ দিকে লাগিয়ে দিয়েছিল। বিরোধী দলগুলোকে সমবেতভাবে পুলিশকে বলতে হবে, আপনারা যদি এসব বন্ধ না করেন। প্রত্যেকটা পুলিশের বিচার হবে।

আগামী নির্বাচনের ব্যাপারে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, আপনি ছাত্রদের কথা শোনেন, আপনি উপকৃত হবেন। জিঘাংসা বাদ দেন। সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার, সুশাসন দরকার। ২০১৪ সালের খেলা চলবে না, ১৮ সালের খেলা চলবে না। এবার ইভিএমের চালাকি চলবে না।

ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাবি শাখার সভাপতি আখতার হোসেন বলেন, যারা ডিবিতে আছেন, যারা এসবিতে আছেন, যারা এনএসআইতে আছেন, আমরা জানি, আপনারা আমাদের ভাই। আপনাদের নিযুক্ত করা হয়েছে জনগণকে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য। আপনারা আপনাদের কাজ করুন। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা কোনো গোষ্ঠী, যা দেশি হোক বা বিদেশি, পক্ষপাতী করে বাংলাদেশের জনগণের জীবনকে দুর্বিষহ করবেন না।

কয়েক দিন আগে ‘নেত্র নিউজ’ নামের একটি সংবাদমাধ্যমে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যেখানে বাংলাদেশ মিলিটারি বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের অধীনে আয়নাঘর নামে গোপন বন্দিশালা এবং টর্চার সেলের ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতার নির্মম ঘটনা তুলে ধরা হয়।

ঢাবিতে ছাত্র অধিকারের সমাবেশ

গুম ও সাদা পোশাকে গ্রেফতার মুক্তির দাবি

 ঢাবি প্রতিনিধি 
১৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গুম ও সাদা পোশাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ এবং সব রাজবন্দির মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বৃহস্পতিবার বিকালে ‘জনতার সমাবেশ ব্যানারে’ আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশের সাথে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিখ্যাত আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল হক। এ ছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনসহ কয়েকটি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে সমাবেশের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন। সমাবেশে গুম ও সাদা পোশাকে গ্রেফতার শিক্ষার্থীরা তাদের গুম হওয়াকালীন নির্মম অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সমাবেশ শেষে গুমতন্ত্র নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক, আয়নাঘরের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও, গুম খুনের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও স্লোগানে মুখরিত একটি মিছিল রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমার অত্যাচার ছিল আধুনিক কায়দায়। ২০০০ পাওয়ারের বাল্ব আমার ২ দিকে লাগিয়ে দিয়েছিল। বিরোধী দলগুলোকে সমবেতভাবে পুলিশকে বলতে হবে, আপনারা যদি এসব বন্ধ না করেন। প্রত্যেকটা পুলিশের বিচার হবে।

আগামী নির্বাচনের ব্যাপারে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, আপনি ছাত্রদের কথা শোনেন, আপনি উপকৃত হবেন। জিঘাংসা বাদ দেন। সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার, সুশাসন দরকার। ২০১৪ সালের খেলা চলবে না, ১৮ সালের খেলা চলবে না। এবার ইভিএমের চালাকি চলবে না।

ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাবি শাখার সভাপতি আখতার হোসেন বলেন, যারা ডিবিতে আছেন, যারা এসবিতে আছেন, যারা এনএসআইতে আছেন, আমরা জানি, আপনারা আমাদের ভাই। আপনাদের নিযুক্ত করা হয়েছে জনগণকে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য। আপনারা আপনাদের কাজ করুন। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা কোনো গোষ্ঠী, যা দেশি হোক বা বিদেশি, পক্ষপাতী করে বাংলাদেশের জনগণের জীবনকে দুর্বিষহ করবেন না।

কয়েক দিন আগে ‘নেত্র নিউজ’ নামের একটি সংবাদমাধ্যমে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যেখানে বাংলাদেশ মিলিটারি বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের অধীনে আয়নাঘর নামে গোপন বন্দিশালা এবং টর্চার সেলের ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতার নির্মম ঘটনা তুলে ধরা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন