একজন কর্মকর্তার বদলি চেয়ে দপ্তরের সবার অভিযোগ
jugantor
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
একজন কর্মকর্তার বদলি চেয়ে দপ্তরের সবার অভিযোগ

  ঢাবি প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একজন মাত্র কর্মকর্তাকে সরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারী উপাচার্যের কাছে দাবি জানিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে। রোববার সকাল সোয়া ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। আর যে কর্মকর্তার বদলি চাওয়া হচ্ছে তার নাম মো. তৈয়ব আলি। তিনি সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। এ ছাড়া চাকরিতে যোগদান করা এক কর্মচারীর কাছে একজন সচিবের নামে মোবাইল ফোন দাবির অভিযোগও উঠেছে। এ ব্যাপারে তৈয়ব আলি বলেন, তিনি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন, সততার সঙ্গে চাকরি করছেন। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অভিযোগ সঠিক নয়।

এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হুমকি-ধমকি প্রদান এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম ভাঙানো। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে বেশ কয়েকটি অর্থ গ্রহণ সংক্রান্ত অভিযোগও উঠেছে। ওইসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বেশ কয়েকটি শোকজও করেছেন। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে সেগুলোও তুলে ধরা হয়।

পৃথক দুটি অভিযোগে দেখা যায়, পটুয়াখালী এবং বরিশালের দুটি নার্সিং ইনস্টিটিউটে পরিদর্শনে গিয়ে টাকা গ্রহণ করেছেন এই কর্মকর্তা। অথচ যাতায়াত, অবস্থান ও খাওয়ার জন্য তাকে অ্যালাউন্স দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। আরেক শোকজপত্রে দেখা যায়, তিনি ভ্যান ভাড়ার নামে বাড়তি টাকা নিয়েছেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে। ওই ঘটনায়ও তৈয়ব আলি শোকজপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এসেছিলেন। তারা একজনের বিরুদ্ধে কর্মপরিবেশ নষ্ট, সততা এবং একনিষ্ঠতা সংক্রান্ত অভিযোগ করে গেছেন। এ বিষয়ে নোট দিতে রেজিস্ট্রারকে বলা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

একজন কর্মকর্তার বদলি চেয়ে দপ্তরের সবার অভিযোগ

 ঢাবি প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একজন মাত্র কর্মকর্তাকে সরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারী উপাচার্যের কাছে দাবি জানিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে। রোববার সকাল সোয়া ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। আর যে কর্মকর্তার বদলি চাওয়া হচ্ছে তার নাম মো. তৈয়ব আলি। তিনি সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। এ ছাড়া চাকরিতে যোগদান করা এক কর্মচারীর কাছে একজন সচিবের নামে মোবাইল ফোন দাবির অভিযোগও উঠেছে। এ ব্যাপারে তৈয়ব আলি বলেন, তিনি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন, সততার সঙ্গে চাকরি করছেন। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অভিযোগ সঠিক নয়।

এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হুমকি-ধমকি প্রদান এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম ভাঙানো। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে বেশ কয়েকটি অর্থ গ্রহণ সংক্রান্ত অভিযোগও উঠেছে। ওইসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বেশ কয়েকটি শোকজও করেছেন। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে সেগুলোও তুলে ধরা হয়।

পৃথক দুটি অভিযোগে দেখা যায়, পটুয়াখালী এবং বরিশালের দুটি নার্সিং ইনস্টিটিউটে পরিদর্শনে গিয়ে টাকা গ্রহণ করেছেন এই কর্মকর্তা। অথচ যাতায়াত, অবস্থান ও খাওয়ার জন্য তাকে অ্যালাউন্স দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। আরেক শোকজপত্রে দেখা যায়, তিনি ভ্যান ভাড়ার নামে বাড়তি টাকা নিয়েছেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে। ওই ঘটনায়ও তৈয়ব আলি শোকজপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এসেছিলেন। তারা একজনের বিরুদ্ধে কর্মপরিবেশ নষ্ট, সততা এবং একনিষ্ঠতা সংক্রান্ত অভিযোগ করে গেছেন। এ বিষয়ে নোট দিতে রেজিস্ট্রারকে বলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন