গজারিয়ায় মসজিদ কমিটির সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ
jugantor
গজারিয়ায় মসজিদ কমিটির সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ

  গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাউশিয়া ইউনিয়নের চরকুমারিয়া গ্রামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আগের দিন সন্ধ্যায় ইমাম নিয়ে বিতর্কের পরের দিন রোববার সকালে লাশ উদ্ধারের এ ঘটনা রহস্যের সৃষ্টি করেছে জনমনে। স্বজনরা বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যা দাবি করে দোষীদের বিচার চেয়েছেন। নিহতের নাম বাহাদুল্লাহ মোল্লা (৫০)।

জানা গেছে, বাহাদুল্লাহ পেশায় মুদি দোকানি। তিনি ছয় সন্তানের জনক। চরকুমারিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রায় ১৫ দিন ধরে মসজিদের বর্তমান ইমামকে রাখা না রাখার ব্যাপারে মুসল্লিরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন। তিনি ইমামকে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কারও মোবাইলফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। রাতে তাকে আর পাওয়া যায়নি। সকালে প্রতিবেশী সুরুজ মিয়ার আমবাগানে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পেয়ে লোকজন পুলিশকে খবর দেন।

নিহতের স্ত্রী ফারজানা বেগম বলেন, তার স্বামীর আত্মহত্যা করার মতো কোনো কারণ নেই। তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। গজারিয়া থানার উপপরিদর্শক সেকান্দার আলী বলেন, বিষয়টি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গজারিয়ায় মসজিদ কমিটির সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ

 গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাউশিয়া ইউনিয়নের চরকুমারিয়া গ্রামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আগের দিন সন্ধ্যায় ইমাম নিয়ে বিতর্কের পরের দিন রোববার সকালে লাশ উদ্ধারের এ ঘটনা রহস্যের সৃষ্টি করেছে জনমনে। স্বজনরা বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যা দাবি করে দোষীদের বিচার চেয়েছেন। নিহতের নাম বাহাদুল্লাহ মোল্লা (৫০)।

জানা গেছে, বাহাদুল্লাহ পেশায় মুদি দোকানি। তিনি ছয় সন্তানের জনক। চরকুমারিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রায় ১৫ দিন ধরে মসজিদের বর্তমান ইমামকে রাখা না রাখার ব্যাপারে মুসল্লিরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন। তিনি ইমামকে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কারও মোবাইলফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। রাতে তাকে আর পাওয়া যায়নি। সকালে প্রতিবেশী সুরুজ মিয়ার আমবাগানে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পেয়ে লোকজন পুলিশকে খবর দেন।

নিহতের স্ত্রী ফারজানা বেগম বলেন, তার স্বামীর আত্মহত্যা করার মতো কোনো কারণ নেই। তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। গজারিয়া থানার উপপরিদর্শক সেকান্দার আলী বলেন, বিষয়টি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর