হট্টগোল কদমতলী থানা আ.লীগের সম্মেলনেও
jugantor
হট্টগোল কদমতলী থানা আ.লীগের সম্মেলনেও
বোমা আতঙ্কে হুড়োহুড়িতে আহত ১০

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের থানা-ওয়ার্ড সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা পিছু ছাড়ছে না। লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের পর চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনও পণ্ড হয়। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। ইতোমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে। এর মধ্যে আবার কদমতলী থানা ও এর অন্তর্গত ৬টি ওয়ার্ডের সম্মেলনেও হট্টগোল হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার শ্যামপুর বালুর মাঠে কদমতলী থানা ও অন্তর্গত ৬টি ওয়ার্ডের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সম্মেলনে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ফুটিয়ে তুলতে ফেস্টুন, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দিয়ে সম্মেলনের প্যান্ডেলের ভেতর বসেন। এ সময় ‘কতিপয় অনুপ্রবেশকারী বোমা বোমা’ বলে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। প্যান্ডেলের ভেতরে শান্তিপূর্ণভাবে বসে থাকা হাজারো নেতাকর্মী এদিক-ওদিক হুড়োহুড়ি করে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। এতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় প্যান্ডেলের শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর হয়। আহতদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেলসহ আশপাশের ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহতরা হলেন-জুনু বেগম, রাহিমা, মনিরা, সূর্যবানু, সুমি, আউয়াল হোসেন, সাব্বির, সুমন, রফিক, সাংবাদিক খোরশেদ আলম, জহিরুল আলম পিলু, গোলাম সারোয়ার, মোস্তাফিজ প্রমুখ। এদিকে ২৬ সেপ্টেম্বরের থানা সম্মেলনকে সফল করতে ২১ সেপ্টেম্বর বুধবার শ্যামপুর বাজারসংলগ্ন কমিউনিটি সেন্টারে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় থানা আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা যুগান্তরকে বলেন, মারুফ হোসেন মামুন, মুরগি রুবেল ও ছোট হানিফ ওইদিন রাতে সশস্ত্র মহড়া দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারাই সম্মেলনের দিনও বোমা আতঙ্ক ছড়িয়ে সম্মেলনকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। এতে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিগত দিনেও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

হট্টগোল কদমতলী থানা আ.লীগের সম্মেলনেও

বোমা আতঙ্কে হুড়োহুড়িতে আহত ১০
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের থানা-ওয়ার্ড সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা পিছু ছাড়ছে না। লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের পর চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনও পণ্ড হয়। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। ইতোমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে। এর মধ্যে আবার কদমতলী থানা ও এর অন্তর্গত ৬টি ওয়ার্ডের সম্মেলনেও হট্টগোল হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার শ্যামপুর বালুর মাঠে কদমতলী থানা ও অন্তর্গত ৬টি ওয়ার্ডের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সম্মেলনে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ফুটিয়ে তুলতে ফেস্টুন, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দিয়ে সম্মেলনের প্যান্ডেলের ভেতর বসেন। এ সময় ‘কতিপয় অনুপ্রবেশকারী বোমা বোমা’ বলে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। প্যান্ডেলের ভেতরে শান্তিপূর্ণভাবে বসে থাকা হাজারো নেতাকর্মী এদিক-ওদিক হুড়োহুড়ি করে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। এতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় প্যান্ডেলের শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর হয়। আহতদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেলসহ আশপাশের ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহতরা হলেন-জুনু বেগম, রাহিমা, মনিরা, সূর্যবানু, সুমি, আউয়াল হোসেন, সাব্বির, সুমন, রফিক, সাংবাদিক খোরশেদ আলম, জহিরুল আলম পিলু, গোলাম সারোয়ার, মোস্তাফিজ প্রমুখ। এদিকে ২৬ সেপ্টেম্বরের থানা সম্মেলনকে সফল করতে ২১ সেপ্টেম্বর বুধবার শ্যামপুর বাজারসংলগ্ন কমিউনিটি সেন্টারে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় থানা আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা যুগান্তরকে বলেন, মারুফ হোসেন মামুন, মুরগি রুবেল ও ছোট হানিফ ওইদিন রাতে সশস্ত্র মহড়া দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারাই সম্মেলনের দিনও বোমা আতঙ্ক ছড়িয়ে সম্মেলনকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। এতে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিগত দিনেও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন