বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সফলতার কারিগর শেখ হাসিনা: উপাচার্য ড. মশিউর রহমান
jugantor
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সফলতার কারিগর শেখ হাসিনা: উপাচার্য ড. মশিউর রহমান

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সফলতার দূরদর্শী কারিগর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ যেন শ্রীলংকা না হয়, সেজন্য যা করা দরকার ১৯৯৭ সালে তিনি তা করেছেন। শতভাগ শিক্ষার জায়গায় পৌঁছেও শ্রীলংকা তামিল-সিংহলিদের সংকট থেকে মুক্ত হতে পারেনি। কিন্তু ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির মাধ্যমে কোনো তৃতীয় পক্ষের সমঝোতা ছাড়াই বঙ্গবন্ধুকন্যা তার একক নেতৃত্বে পাহাড়ি অঞ্চলের বন্ধুদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করেন। সংকটের সমাধান তিনি ’৯৭ সালেই করে দিলেন। সুতরাং যারা বলে বাংলাদেশ শ্রীলংকা হবে তারা জানে না যে অতন্দ্র প্রহরীর মতো বঙ্গবন্ধুকন্যা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মডেল সাজিয়েছেন।’ বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুরের ক্যাম্পাসে সিনেট হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বঙ্গবন্ধুকন্যার নানা অবদান তুলে ধরে উপাচার্য ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘সমুদ্রসীমা বিজয় তথা আরেকটি রাষ্ট্র পাওয়ার যে কৃতিত্ব সেটি দেখিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি ডেল্টা প্ল্যান ঘোষণা করলেন। আগামী শতবর্ষের বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়াবে, অর্থনৈতিক শক্তি কোথায় যাবে। আগামী একশ বছরে পরাশক্তির জায়গা কোথায় যাবে-সেই জায়গায় বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে-এসব পরিকল্পনা তিনি করে রেখেছেন। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. নিজামউদ্দিন আহমেদ, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর আবদুস সালাম হাওলাদার।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সফলতার কারিগর শেখ হাসিনা: উপাচার্য ড. মশিউর রহমান

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সফলতার দূরদর্শী কারিগর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ যেন শ্রীলংকা না হয়, সেজন্য যা করা দরকার ১৯৯৭ সালে তিনি তা করেছেন। শতভাগ শিক্ষার জায়গায় পৌঁছেও শ্রীলংকা তামিল-সিংহলিদের সংকট থেকে মুক্ত হতে পারেনি। কিন্তু ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির মাধ্যমে কোনো তৃতীয় পক্ষের সমঝোতা ছাড়াই বঙ্গবন্ধুকন্যা তার একক নেতৃত্বে পাহাড়ি অঞ্চলের বন্ধুদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করেন। সংকটের সমাধান তিনি ’৯৭ সালেই করে দিলেন। সুতরাং যারা বলে বাংলাদেশ শ্রীলংকা হবে তারা জানে না যে অতন্দ্র প্রহরীর মতো বঙ্গবন্ধুকন্যা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মডেল সাজিয়েছেন।’ বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুরের ক্যাম্পাসে সিনেট হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বঙ্গবন্ধুকন্যার নানা অবদান তুলে ধরে উপাচার্য ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘সমুদ্রসীমা বিজয় তথা আরেকটি রাষ্ট্র পাওয়ার যে কৃতিত্ব সেটি দেখিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি ডেল্টা প্ল্যান ঘোষণা করলেন। আগামী শতবর্ষের বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়াবে, অর্থনৈতিক শক্তি কোথায় যাবে। আগামী একশ বছরে পরাশক্তির জায়গা কোথায় যাবে-সেই জায়গায় বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে-এসব পরিকল্পনা তিনি করে রেখেছেন। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. নিজামউদ্দিন আহমেদ, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর আবদুস সালাম হাওলাদার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন