জাতীয় নীতিমালাসহ ৫ দফা দাবি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের
jugantor
মানববন্ধন
জাতীয় নীতিমালাসহ ৫ দফা দাবি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চলাচলে জাতীয় নীতিমালাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ কমিটি। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নেতারা। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়। অন্যান্য দাবিগুলো হলো- অ্যাম্বুলেন্স আয়করমুক্ত অথবা রেজিস্ট্রেশন দেবে। এছাড়া দেশের সব রাস্তা ও সেতুতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত টোল ফ্রি করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্সে আট সিটের আসন অনুমোদন এবং হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সহসভাপতি দবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাদল মাতবর, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করি। করোনার মতো কঠিন সংকটে সবাই যখন বাড়িতে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছিলেন তখন আমরা মানবসেবায় নিয়োজিত ছিলাম। করোনার আক্রান্ত হয়ে আমাদের অনেককেই মারা গেছেন। তারপরও আমরা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। কিন্তু দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো সমাধানে কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি সরকার। জাতীয়ভাবে নীতিমালা করা দরকার। সরকারের বিভিন্ন মহলে আলাপ-আলোচনা করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ দরকার।

মানববন্ধন

জাতীয় নীতিমালাসহ ৫ দফা দাবি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চলাচলে জাতীয় নীতিমালাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ কমিটি। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নেতারা। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়। অন্যান্য দাবিগুলো হলো- অ্যাম্বুলেন্স আয়করমুক্ত অথবা রেজিস্ট্রেশন দেবে। এছাড়া দেশের সব রাস্তা ও সেতুতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত টোল ফ্রি করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্সে আট সিটের আসন অনুমোদন এবং হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সহসভাপতি দবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাদল মাতবর, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করি। করোনার মতো কঠিন সংকটে সবাই যখন বাড়িতে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছিলেন তখন আমরা মানবসেবায় নিয়োজিত ছিলাম। করোনার আক্রান্ত হয়ে আমাদের অনেককেই মারা গেছেন। তারপরও আমরা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। কিন্তু দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো সমাধানে কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি সরকার। জাতীয়ভাবে নীতিমালা করা দরকার। সরকারের বিভিন্ন মহলে আলাপ-আলোচনা করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ দরকার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন