ভবনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে
jugantor
গোলটেবিল বৈঠকে ডিএনসিসি মেয়র
ভবনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, প্রত্যকটি বহুতল ভবনের মানসম্মত কার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকতে হবে। অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি ও জীবন বাঁচাতে বড় আকারের পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। নানা কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটতেই পারে কিন্তু আমরা যদি নির্বাপণের জন্য প্রস্তুতি না নিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকি দিন শেষে ক্ষয়ক্ষতি আমাদেরই হবে; আগুনে পুড়ে মানুষের মৃত্যুর মিছিল দেখতে হবে। এছাড়া অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেই হবে না, নির্বাপণ ব্যবস্থা কতটুকু কার্যকর তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ও ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ইস্সাব) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশে অগ্নিনিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জসমূহ’ শিরোনামে এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই গোলটেবিল বৈঠকে মুখ্য আলোচক ছিলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস শিল্পে কর্মীদের অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যে নিরাপত্তা কমপ্লায়েন্স গার্মেন্টস শিল্প মানতে পারবে সেটা কেন সিটি করপোরেশন এলাকার বহুতল ভবনগুলো মানতে পারবে না? সবার জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সবাইকে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। বহুলতল ভবনগুলোর চাকচিক্যের পাশাপাশি বিল্ডিং কোড, ফায়ার সেফটিসহ অন্যান্য নিরাপত্তাজনিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ২০ ফুটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে দুর্ঘটনা পরবর্তী কার্যক্রম চালানো ব্যাহত হবে। কোনো ধরনের উদ্ধার সরঞ্জাম বা গাড়ি ওই এলাকায় প্রবেশ করতেই পারবে না। তাই ২০ ফুটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে সিটি করপোরেশন তা উন্নয়নের জন্য কোনো বরাদ্দ দেবে না।

আলোচনায় ডিএনসিসি মেয়র সব ভবনের পাশাপাশি যে কোনো অনুষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় নির্দেশনা, ফায়ার সেফটির সম্পর্কে শিক্ষাসহ সিনেমা হলগুলোতে সিনেমা শুরুর আগে এবং বিরতির সময় ফায়ার সেফটি বিষয়ক জনসচেতনতামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শনের বিষয়টি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে ডিএনসিসি মেয়র

ভবনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, প্রত্যকটি বহুতল ভবনের মানসম্মত কার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকতে হবে। অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি ও জীবন বাঁচাতে বড় আকারের পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। নানা কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটতেই পারে কিন্তু আমরা যদি নির্বাপণের জন্য প্রস্তুতি না নিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকি দিন শেষে ক্ষয়ক্ষতি আমাদেরই হবে; আগুনে পুড়ে মানুষের মৃত্যুর মিছিল দেখতে হবে। এছাড়া অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেই হবে না, নির্বাপণ ব্যবস্থা কতটুকু কার্যকর তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ও ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ইস্সাব) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশে অগ্নিনিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জসমূহ’ শিরোনামে এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই গোলটেবিল বৈঠকে মুখ্য আলোচক ছিলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস শিল্পে কর্মীদের অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যে নিরাপত্তা কমপ্লায়েন্স গার্মেন্টস শিল্প মানতে পারবে সেটা কেন সিটি করপোরেশন এলাকার বহুতল ভবনগুলো মানতে পারবে না? সবার জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সবাইকে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। বহুলতল ভবনগুলোর চাকচিক্যের পাশাপাশি বিল্ডিং কোড, ফায়ার সেফটিসহ অন্যান্য নিরাপত্তাজনিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ২০ ফুটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে দুর্ঘটনা পরবর্তী কার্যক্রম চালানো ব্যাহত হবে। কোনো ধরনের উদ্ধার সরঞ্জাম বা গাড়ি ওই এলাকায় প্রবেশ করতেই পারবে না। তাই ২০ ফুটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে সিটি করপোরেশন তা উন্নয়নের জন্য কোনো বরাদ্দ দেবে না।

আলোচনায় ডিএনসিসি মেয়র সব ভবনের পাশাপাশি যে কোনো অনুষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় নির্দেশনা, ফায়ার সেফটির সম্পর্কে শিক্ষাসহ সিনেমা হলগুলোতে সিনেমা শুরুর আগে এবং বিরতির সময় ফায়ার সেফটি বিষয়ক জনসচেতনতামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শনের বিষয়টি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন