খেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি : রাশেদ খান মেনন
jugantor
খেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি : রাশেদ খান মেনন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সংসদ-সদস্য রাশেদ খান মেনন বলেছেন, আমরা সচিবদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। অন্য কর্মকর্তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। তাহলে কৃষিকাজে যারা আছেন তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা কীভাবে দিতে পারব। এজন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম খুবই জরুরি।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন আয়োজিত ‘খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমবিদদের জন্য জমাবিহীন পেনশন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন রাশেদ খান মেনন।

মেনন বলেন, বর্তমানে কাজের জন্য গ্রামে কোনো লোক পাওয়া যায় না, এই অভিযোগটি প্রায়ই শোনা যায়। তার মানে এই নয় যে, তাদের জন্য সেখানে অনেক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা হয়েছে অথবা তারা খুব ভালো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। মূলত তারা ভালো সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার আশায় দেশের বাইরে চলে যায়। যার ফলে তুলনামূলকভাবে সেখানে নারীদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। গ্রামের ৭২ শতাংশ নারী এখন কৃষিকাজে অংশ নিচ্ছেন। তাছাড়া স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা না করে যে আইন করা হবে সেই আইনে স্টেকহোল্ডাররা সুবিধা পাবেন এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।

রাশেদ খান মেনন আরও বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বাজেটে এবারও অনেক টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে বলা হয় বয়স্ক ভাতা দেওয়া হচ্ছে, বিধবা ভাতা দেওয়া হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। একসময় আমি সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলাম। বর্তমানে আমি স্থায়ী কমিটির সভাপতি, এ বিষয়ে আমার একটু ধারণা আছে। সরকারের একটা সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল আছে। কিন্তু যে ব্যক্তি এই ভাতা পান তা দিয়ে তার তেমন কোনো কিছুই হয় না। শুধু তার আত্মসম্মানটা বাঁচে।

খেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি : রাশেদ খান মেনন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সংসদ-সদস্য রাশেদ খান মেনন বলেছেন, আমরা সচিবদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। অন্য কর্মকর্তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। তাহলে কৃষিকাজে যারা আছেন তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা কীভাবে দিতে পারব। এজন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম খুবই জরুরি।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন আয়োজিত ‘খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমবিদদের জন্য জমাবিহীন পেনশন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন রাশেদ খান মেনন।

মেনন বলেন, বর্তমানে কাজের জন্য গ্রামে কোনো লোক পাওয়া যায় না, এই অভিযোগটি প্রায়ই শোনা যায়। তার মানে এই নয় যে, তাদের জন্য সেখানে অনেক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা হয়েছে অথবা তারা খুব ভালো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। মূলত তারা ভালো সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার আশায় দেশের বাইরে চলে যায়। যার ফলে তুলনামূলকভাবে সেখানে নারীদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। গ্রামের ৭২ শতাংশ নারী এখন কৃষিকাজে অংশ নিচ্ছেন। তাছাড়া স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা না করে যে আইন করা হবে সেই আইনে স্টেকহোল্ডাররা সুবিধা পাবেন এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।

রাশেদ খান মেনন আরও বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বাজেটে এবারও অনেক টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে বলা হয় বয়স্ক ভাতা দেওয়া হচ্ছে, বিধবা ভাতা দেওয়া হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। একসময় আমি সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলাম। বর্তমানে আমি স্থায়ী কমিটির সভাপতি, এ বিষয়ে আমার একটু ধারণা আছে। সরকারের একটা সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল আছে। কিন্তু যে ব্যক্তি এই ভাতা পান তা দিয়ে তার তেমন কোনো কিছুই হয় না। শুধু তার আত্মসম্মানটা বাঁচে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন