গাড়ি ছিনতাই করে ব্যবসার পরিকল্পনা থেকে হত্যা
jugantor
সাকিবের আরেক খুনি গ্রেফতার
গাড়ি ছিনতাই করে ব্যবসার পরিকল্পনা থেকে হত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে সাকিব (২০) নামে এক পিকআপ চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত আরেকজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২। তিনি হলেন মো. নাইমুল হোসেন ওরফে সিয়াম (২২)। শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মো. মিজানুর রহমানকে ২ ডিসেম্বর গ্রেফতার করে র‌্যাব। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই গ্রেফতার হন সিয়াম। গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, গাড়ি ছিনতাই করে ব্যবসার পরিকল্পনা থেকেই সাকিবকে হত্যা করা হয়েছে।

র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. ফজলুল হক বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নাইমুল একটি কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানিতে চাকরি করত। দুই মাস আগে তার চাকরি চলে যায়। এরপর থেকে সে বিভিন্ন জায়গায় চুরি ও ছিনতাই করত। এই ছিনতাইয়ের টাকায় তার সংসার চলছিল না। তখন সে মো. মিজানুর রহমান ও তাদের আরেক বন্ধুর সঙ্গে মিলে একটি গাড়ি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে। সেই গাড়ি গ্রামে বিক্রি করে যে টাকা আসবে সেই টাকা দিয়ে তারা একটি ব্যবসা করারও পরিকল্পনা করে।

পরবর্তী ঘটনার বর্ণনায় র‌্যাব জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা রায়েরবাজার যায় এবং একটি গাড়ি ভাড়া করে ৫০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে চলে আসে। পরের দিন তারা পিকআপ গাড়ির ড্রাইভার সাকিবকে মোবাইলে কল করে আরশিনগর আসতে বলে। গাড়ির ড্রাইভার সাকিব সেখানে গেলে তারা বলে আমরা মুন্সীগঞ্জ যাব। সাকিব মুন্সীগঞ্জ যেতে রাজি না হলে তারা তাদের রুমে ডেকে নিয়ে যায়। রুমে নিয়ে যাওয়ার পর কথাকাটাকাটির একপর্যায় তারা সাকিবের হাত-পা বেঁধে ফেলে। কালো কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে ফেলে তার মুখ ও মাথা। এরপর রাত ১২টার দিকে তারা নদীর দিকে নিয়ে গিয়ে নদীতে ফেলে দেয়। পরে ৬ নভেম্বর বুড়িগঙ্গা নদীর আটিবাজারগামী শাখা নদীর পার থেকে সাকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব জানায়, আটককৃত আসামির দেওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

সাকিবের আরেক খুনি গ্রেফতার

গাড়ি ছিনতাই করে ব্যবসার পরিকল্পনা থেকে হত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে সাকিব (২০) নামে এক পিকআপ চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত আরেকজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২। তিনি হলেন মো. নাইমুল হোসেন ওরফে সিয়াম (২২)। শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মো. মিজানুর রহমানকে ২ ডিসেম্বর গ্রেফতার করে র‌্যাব। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই গ্রেফতার হন সিয়াম। গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, গাড়ি ছিনতাই করে ব্যবসার পরিকল্পনা থেকেই সাকিবকে হত্যা করা হয়েছে।

র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. ফজলুল হক বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নাইমুল একটি কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানিতে চাকরি করত। দুই মাস আগে তার চাকরি চলে যায়। এরপর থেকে সে বিভিন্ন জায়গায় চুরি ও ছিনতাই করত। এই ছিনতাইয়ের টাকায় তার সংসার চলছিল না। তখন সে মো. মিজানুর রহমান ও তাদের আরেক বন্ধুর সঙ্গে মিলে একটি গাড়ি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে। সেই গাড়ি গ্রামে বিক্রি করে যে টাকা আসবে সেই টাকা দিয়ে তারা একটি ব্যবসা করারও পরিকল্পনা করে।

পরবর্তী ঘটনার বর্ণনায় র‌্যাব জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা রায়েরবাজার যায় এবং একটি গাড়ি ভাড়া করে ৫০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে চলে আসে। পরের দিন তারা পিকআপ গাড়ির ড্রাইভার সাকিবকে মোবাইলে কল করে আরশিনগর আসতে বলে। গাড়ির ড্রাইভার সাকিব সেখানে গেলে তারা বলে আমরা মুন্সীগঞ্জ যাব। সাকিব মুন্সীগঞ্জ যেতে রাজি না হলে তারা তাদের রুমে ডেকে নিয়ে যায়। রুমে নিয়ে যাওয়ার পর কথাকাটাকাটির একপর্যায় তারা সাকিবের হাত-পা বেঁধে ফেলে। কালো কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে ফেলে তার মুখ ও মাথা। এরপর রাত ১২টার দিকে তারা নদীর দিকে নিয়ে গিয়ে নদীতে ফেলে দেয়। পরে ৬ নভেম্বর বুড়িগঙ্গা নদীর আটিবাজারগামী শাখা নদীর পার থেকে সাকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব জানায়, আটককৃত আসামির দেওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন