ফতুল্লায় স্বামী-সন্তানকে হত্যার পর আরেক সন্তানকে হত্যাচেষ্টা
jugantor
ফতুল্লায় স্বামী-সন্তানকে হত্যার পর আরেক সন্তানকে হত্যাচেষ্টা

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্বামী সন্তানকে হত্যার পর আরেক সন্তানকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী সামেদ আলী ও তার বাহিনী। ফতুল্লার বক্তাবলীর উত্তর গোপালনগর এলাকায় ঘটনার ৮ দিনপর সোমবার সামেদ আলী ও তার ৩ পুত্র রাজিব, গণি, সজিবসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেছে ফতুল্লা থানা। গৃহবধূ খোরশেদা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় এ মামলা করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ৫ মে খোরশেদা বেগমের ছেলে অন্তুকে হত্যা করে সামেদ আলী ও তার বাহিনীর লোকজন। এ ঘটনায় খোরশেদার স্বামী জাকির হোসেন বাদী হয়ে সামেদ আলী ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলা প্রত্যাহার না করায় চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর জাকির হোসেনকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের ৩৩ দিনপর বন্দর উপজেলার কলা গাছিয়া এলাকা থেকে জাকির হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সামেদ আলী ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা করেন খোরশেদা। এ মামলায় পুলিশ সামেদ আলী ও তার বাহিনীর কাউকে গ্রেফতার করেনি। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সামেদ আলী। ২৭ নভেম্বর রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ বিশাল বাহিনী নিয়ে খোরশেদার বাড়িতে হামলা চালায় সামেদ আলী ও তার ৩ পুত্রসহ বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় খোরশেদার মেয়েকে শ্লীলতাহানি করে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেয়। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক জানান, মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একটি টিম চেষ্টা চালাচ্ছে।

ফতুল্লায় স্বামী-সন্তানকে হত্যার পর আরেক সন্তানকে হত্যাচেষ্টা

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্বামী সন্তানকে হত্যার পর আরেক সন্তানকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী সামেদ আলী ও তার বাহিনী। ফতুল্লার বক্তাবলীর উত্তর গোপালনগর এলাকায় ঘটনার ৮ দিনপর সোমবার সামেদ আলী ও তার ৩ পুত্র রাজিব, গণি, সজিবসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেছে ফতুল্লা থানা। গৃহবধূ খোরশেদা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় এ মামলা করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ৫ মে খোরশেদা বেগমের ছেলে অন্তুকে হত্যা করে সামেদ আলী ও তার বাহিনীর লোকজন। এ ঘটনায় খোরশেদার স্বামী জাকির হোসেন বাদী হয়ে সামেদ আলী ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলা প্রত্যাহার না করায় চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর জাকির হোসেনকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের ৩৩ দিনপর বন্দর উপজেলার কলা গাছিয়া এলাকা থেকে জাকির হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সামেদ আলী ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা করেন খোরশেদা। এ মামলায় পুলিশ সামেদ আলী ও তার বাহিনীর কাউকে গ্রেফতার করেনি। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সামেদ আলী। ২৭ নভেম্বর রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ বিশাল বাহিনী নিয়ে খোরশেদার বাড়িতে হামলা চালায় সামেদ আলী ও তার ৩ পুত্রসহ বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় খোরশেদার মেয়েকে শ্লীলতাহানি করে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেয়। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক জানান, মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একটি টিম চেষ্টা চালাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন