চীন-বাংলাদেশ এক হয়ে কাজ করার অবারিত সুযোগ

-চীনা রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীন পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু। চীনা রাষ্ট্রদূত বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, মূলধনী যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতার উন্নয়ন, পারস্পরিক এসব স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোয় একসঙ্গে কাজ করার অবারিত সুযোগ রয়েছে।

কারণ দুই দেশের সরকার ও জনগণই যৌথভাবে এ সাধারণ উন্নয়নগুলো দেখতে চায়। ঘাটতির বিষয়গুলো পারস্পরিক সম্মান এবং সমতার সঙ্গেই বিনিময় করতে চায়।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ‘চীন-বাংলাদেশ যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং বেল্ট ও রোড উদ্যোগের অধীনে শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য সমন্বয় প্রক্রিয়া’-শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠক যৌথভাবে আয়োজন করে ঢাকার চীনা দূতাবাস ও শিল্প মন্ত্রণালয়।

চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন চেন উই, চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট লিন ওয়েকিয়াং, ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ঝং লিফেং, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিএসসিআইসি) চেয়ারম্যান মুসতাক হাসান মো. ইফতিখার, বিএসিসি চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ প্রমুখ এ গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেন।

বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে বেল্ট ও রোড উদ্যোগ নেয়ার পরে এর সঙ্গে বিশ্বের ১০৩টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা জড়িত হয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়।

একই সঙ্গে বেল্ট ও রোড উদ্যোগ বাস্তবায়নে নতুন অধ্যায়ের সূচিত হয়। এ উদ্যোগের ফলে উভয় দেশই লাভবান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। গোলটেবিল বৈঠকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান শাহ মো. আমিনুল হক বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার।

বাংলাদেশে চীন বিনিয়োগ করেছে। তবে এখানে চীনাদের আরও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তিনি দেশটির বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা প্রকল্প প্রস্তাব নিয়ে আসুন। আমরা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।