রাজধানীর লাইসেন্সবিহীন ১৪ হাসপাতাল

বন্ধের নির্দেশ উপেক্ষা

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর লাইসেন্সবিহীন ১৪ হাসপাতাল
ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে লাইসেন্সবিহীন ১৪টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে ১২টি তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাছে। একটির কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও নাম বদলে আরেকটি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলেছে, এগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা চাওয়া হবে।

বুধবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, আদালতের নির্দেশ মেনে বাংলাদেশ ট্রমা স্পেশালাইজইড হসপিটালটি বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ক্রিসেন্ট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারটি আগেই সিলগালা। তবে ক্রিসেন্ট হাসপাতাল স্থান বদল করে শ্যামলীতে রুপায়ন টাওয়ারের ৪র্থ তলায় নিউ ওয়েলকেয়ার নামে কার্যক্রম শুরু করেছে। অপরদিকে ইসলামিয়া মেন্টাল হসপিটালের নাম বদলে ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল নামে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া নির্দেশ অমান্য করে মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোড, বাবর রোড ও খিলজি রোডে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- বিডিএম হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, সেবিকা জেনারেল হাসপাতাল, জনসেবা নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাইফ কেয়ার নার্সিং হোম, রয়েল মাল্টিস্পেশালিস্ট হসপিটাল, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা মেন্টাল অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডিকশন হসপিটাল, মনমিতা মেন্টাল হসপিটাল, প্লাজমা মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড ক্লিনিক, শেফা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মক্কা মদিনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ও নিউ ওয়েলকেয়ার হসপিটাল।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) অধ্যাপক ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এসব হাসপাতাল বন্ধের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফাইল মহাপরিচাকের দফতরে পাঠানো হয়েছে। তিনি অনুমোদন দিলে বন্ধে আর প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ যুগান্তরকে বলেন, অধিদফতরের পক্ষে সরাসরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা প্রয়োজন। আমরা তাদের সাহায্য চাইব। তারপর এগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে। তিনি বলেন, এদের কারও অনুমোদন নেই। অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে তারপর দেখা যাবে অনুমোদন পাবে কিনা।

মঙ্গলবার লাইসেন্সবিহীন ১৪টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। এছাড়া অবৈধভাবে পরিচালিত এ ১৪টি হাসপাতালের পরিচালকদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ আট বিবাদীকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter