হাবীব-উন-নবী খান সোহেল রিমান্ডে

  যুগান্তর রিপোর্ট ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবীব-উন-নবী খান সোহেলের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম এএইচএম তোয়াহা রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

সোহেলের নিঃশর্ত মুক্তি দাবিতে আজ ঢাকা মহানগর দক্ষিণে থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়। একইভাবে দেশের সব মহানগরে ও জেলা শহরে আজ বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দল। সংগঠনটির সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুইয়া জুয়েল এ কর্মসূচি পালনে নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই আবদুল করিম। বিপরীতে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। বিকাল ৪টার দিকে সোহেলকে আদালতের হাজতখানা থেকে এজলাসে নেয়া হয়। এ সময় আদালতের ডকে (আসামিদের জন্য নির্ধারিত স্থান) তাকে রাখতে গেলে আইনজীবীরা বাধা দেন। এ নিয়ে আদালতে হইচই শুরু হয়। বাধার মুখে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা সোহেলকে আইনজীবীদের জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে বসতে দেন। বিকাল ৪টা ৫ মিনিটের দিকে এজলাসে বিচারক এলে শুনানি শুরু হয়।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এ মামলায় এর আগে অনেক আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই সব আসামির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ও হাইকোর্ট থেকে জামিন হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার যখন হাজিরার দিন ছিল, তখন প্রতিদিনই বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দুই-তিনটি করে মামলা হতো। খালেদা জিয়ার মামলায় একজন নেতা হিসেবে তিনিও (হাবীব-উন-নবী খান সোহেল) আদালতে যেতেন। এছাড়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তার রিমান্ড আবেদনে একদিকে বলেছেন যে, হাবীব-উন-নবী খান সোহেল ওই হামলার ঘটনায় মদদ দিয়েছেন; অপরদিকে একই আবেদনে বলা হচ্ছে কে কে জড়িত ও নির্দেশদাতা তা জানতে রিমান্ড প্রয়োজন। তদন্ত কর্মকর্তা এখানে দুই ধরনের তথ্য দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ও তথ্য-প্রমাণ নেই। শুধু বিএনপির নেতা হওয়ার কারণেই তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে। রিমান্ড বাতিল করে প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়া যেতে পারে। আসামিপক্ষে মো. ইকবাল হোসেন, মোসলে উদ্দিন জসিম, ওমর ফারুক, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ, জিয়াউদ্দিন জিয়াসহ প্রায় অর্ধশতাধিক আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বুধবার রাতে খাবার নিয়ে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের গেটে যান হাবীব-উন-নবী খান সোহেলের স্ত্রী কামরুন্নাহার ও দুই মেয়ে। তবে তাদের খাবার ভেতরে পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়নি। কামরুন্নাহার রাত সাড়ে ১২টায় যুগান্তরকে বলেন, আমরা ডিবি অফিসের গেটে অবস্থান করছি। আরও কিছু সময় থাকব। ডিবি অফিসের একটি বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সোহেল অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ কারণে আমরা চিন্তিত।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×