নির্বাচনী তোড়জোড় শুরু হয়েছে হকিতে

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্পোর্টস রিপোর্টার

অবশেষে নির্বাচনী তোড়জোড় শুরু হয়েছে বাংলাদেশ হকিতে। খুব শিগগিরই নির্বাচনী প্রজ্ঞাপন জারি করবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সাধারণ সম্পাদক পদে এখন পর্যন্ত তিনজন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন- বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাদেক, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি ও মেরিনার্স ইয়াংসের হকি কমিটির চেয়ারম্যান মমিনুল হক সাঈদ এবং উষা ক্রীড়া চক্রের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ শিকদার।

মমিনুল হক সাঈদ কাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ক্লাব ও জেলার কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ঠিক করব আমরা।’ আবদুর রশিদ শিকদার বলেন, ‘আগে একটি কাউন্সিলর তালিকা ছিল। বর্তমান কাউন্সিলর তালিকা কতটা সঠিক হয় তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।’ হকি মূলত ক্লাব রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ। আবাহনী ক্লাব তাদের নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায় হকিতে। এজন্য শোনা যাচ্ছে আবদুস সাদেককে ফের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী করার। সত্তরোর্ধ্ব বয়সে শারীরিক সমস্যা নিয়েও এই ক্লাবের চাপে তাকে দায়িত্বে থাকতে হচ্ছে। অন্যদিকে মোহামেডান, মেরিনার্স ও উষা ক্রীড়া চক্র সমঝোতা করে সাঈদ কিংবা রশিদ শিকদারকে প্রার্থী করতে পারে বলে জানা গেছে।

২০১৭ সালে এশিয়া কাপের পর হকি ফেডারেশনের নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র গ্রহণ করলেও জমা দেয়ার আগেই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করে। জাতীয় নির্বাচনের পর যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন জাহিদ আহসান রাসেল। ক্রীড়াঙ্গনে গণতন্ত্রের চর্চার জন্য তিনি অ্যাডহক কমিটির পরিবর্তে নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরুর ব্যবস্থা নিতে বলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে হকি ফেডারেশনের জন্য নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। হকি ফেডারেশনের অধিভুক্ত জেলা ক্রীড়া সংস্থা, ক্লাবকে কাউন্সিলরদের নাম পাঠাতে বলেছে ফেডারেশন। ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নাম দিতে হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কাউন্সিলর তালিকা দেবে হকি ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটি।