মলিন মুখে মারিয়াদের ফেরা

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্পোর্টস রিপোর্টার

অন্য সময় মুখে হাসি লেগেই থাকে মারিয়া মান্ডা, তহুরাদের। বৃহস্পতিবার মলিন মুখে দেশে ফিরলেন তারা রাজ্যের হতাশা নিয়ে। মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলে হেরে ফিরেছেন সাবিনা, আঁখিরা। তারা যখন বাফুফে ভবনের সামনে এসে পৌঁছেন, তখন মহিলা উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরনের বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। তারা ভবনে প্রবেশ করার পর স্থগিত ঘোষণা করা হয় অবস্থান কর্মসূচি।

কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন বাসার দিকে রওনা হলেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন বলেন, ‘গতবার আমরা নেপালকে সেমিফাইনালে এড়াতে পেরেছিলাম, তাই ফাইনাল খেলেছি। এবার পারিনি।’

ভারত ও নেপালের সঙ্গে জাতীয় নারী ফুটবল দল পেরে ওঠে না। অধিনায়কের কথায়, ‘ভারত ও নেপালের ফুটবলাররা আমাদের চেয়ে অভিজ্ঞতা, বয়স ও শারীরিক দিক দিয়ে এগিয়ে। মহিলা ফুটবলের চর্চাটাও আমাদের চেয়ে ওদের ওখানে আগে শুরু হয়েছে। তাই এই দু’দলের সঙ্গে আমাদের ব্যবধান বেশি।’

বাংলাদেশ জাতীয় দল মানে অনূর্ধ্ব-১৬ ও ১৮ পর্যায়ের ফুটবলারদের সঙ্গে সিনিয়র বলতে শুধু অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। সাবিনার সঙ্গে আরও চার-পাঁচজন সিনিয়র ফুটবলার থাকলে চিত্র খানিকটা ভিন্ন হতো বলে অভিমত এই স্ট্রাইকারের, ‘এ টুর্নামেন্টে সিনিয়র ফুটবলারদের অভাব অনুভূত হয়েছে। দলে আরও সিনিয়র ফুটবলার থাকলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতো বেশি।’

তার কথায়, ‘জাতীয় দলের খেলা কম হয়। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ব্যস্ততা বেশি। ফেডারেশন এজন্য সেদিকে বেশি নজর দিয়েছে।’ বয়সভিত্তিক পর্যায়ে সাফ ও এএফসিতে বাংলাদেশের সাফল্যের ধারাবাহিকতা আগামীতে জাতীয় পর্যায়েও পড়বে, এমনটাই আশা সাবিনার।